27/05/2019 , ঢাকা

অভিনেত্রী তমা খানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার


প্রকাশিত: 27/05/2019 19:55:39| আপডেট:

মডেল ও অভিনেত্রী তমা খানের (৩০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় বাসায় ফ্যানের সঙ্গে তমাকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখতে পান তার দুই বোন। রাজধানীর আদাবরে তমার নিজ বাসায় ওই ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোপাল গণেশ বিশ্বাস।

মৃত্যুর আগে নিজের ফেসবুক পেজে তমা লেখেন, ‘মরিলে কান্দিস না আমার দায়!’ ওই ‘স্ট্যাটাসে’ পরিচালক শামীম আহমেদ রনীর সঙ্গে ১১টি ছবি যুক্ত করেন তিনি। এর আগে দেওয়া স্ট্যাটাসে তমা লেখেন, ‘উহাদের সাথে এককালে ভাল সম্পর্ক ছিল ভাবতেই অবাক লাগে!’ ওই স্ট্যাটাসের সঙ্গে অভিনেতা শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, মিশা সওদাগর, পরিচালক রনী সহ ত্রিশটি ছবি ‘আপ’ করেন।

গোপাল গণেশ বিশ্বাস বলেন, ‘অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালকের স্ত্রী তমা খান নামের একজনের আত্মহত্যার কথা জেনেছি আমরা। তার লাশ বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। সেখানে আমাদের পুলিশিং একটি টিম গিয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।’

তাৎক্ষণিকভাবে কী কারণে তমা আত্মহত্যা করেছেন তা এখনো জানতে পারেননি পুলিশ।

থিয়েটার ও ছোট পর্দার সঙ্গে যুক্ত তমা খান ২০১১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর নির্মাতা রনীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। এরপর ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসের দিকে রনি ও তমার দাম্পত্যকলহ শুরু হয়। বর্তমানে তাদের মধ্যে তেমন যোগাযোগও ছিল না। তমা খান তাঁর বোনের বাসায় থাকতেন। কলহের বিষয়টি নিয়ে তমা সামাজিক মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে একাধিকবার অভিযোগ করেন।

শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র হচ্ছে ‘রানা পাগল: দ্যা মেন্টাল।‘ এটি মুক্তি পায় ২০১৬ সালে। এছাড়া রনি পরিচালিত সিনেমারগুলোর মধ্যে রয়েছে- বসগিরি, ধ্যাততেরিকি, রংবাজ ও শাহেনশাহ।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে আত্মীয় হিসেবে বাসায় এসে শিশু অপহরণ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস জানান, থানায় জিডি হয়েছে। হয়তো ভয়ে পরিবারের লোকজন মামলা করেনি। তবুও তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করেছি।

পরকীয়ার ছবি ফেসবুকে, ছেলেকে নিয়ে খালে ঝাঁপ গৃহবধূর

প্রেমিকের সঙ্গে গৃহবধূর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর মুহূর্তেই সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর সংসারে কলহ শুরু

উপজাতি বলে বারবার অপমান করায় আত্মঘাতী চিকিৎসক

তার মায়ের দাবি, সিনিয়র চিকিৎসকেরা প্রায়ই পায়েলকে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করতেন। আর সেই কারণেই আত্মহত্যা করেছেন পায়েল। মৃত্যুর আগে কয়েক জনের নামও বলে গিয়েছিলেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন...

Top