13/11/2018 , ঢাকা

আওয়ামী লীগের ৩০০ আসনে গোপনে মনোনয়নের গ্রিন সিগন্যাল পাচ্ছেন যারা


প্রকাশিত:1:57 pm | September 6, 2018 | আপডেট:

দলীয় জরিপ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পৃথক রিপোর্ট বিচার-বিশ্লষণ করে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড ৩০০ আসনে একটি প্রার্থী তালিকা তৈরি করে রেখেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের সূত্র। সূত্রমতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে হাইকমান্ড প্রার্থী তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে শরিক দলগুলোর বর্তমান আসনগুলোর প্রতি দৃষ্টি রেখেছেন। স্বল্পসংখ্যক আসনে প্রার্থী নির্বাচন বাদ রাখা হয়েছে শরিক দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যের কথা মাথায় রেখে। নির্বাচনের প্রাক্কালে তারা মনোনয়নের বিনিময়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করবেন বলে জানা যায়।

আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড কর্তৃক তৈরীকৃত মনোনয়ন তালিকাটি এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না করলেও শিগগিরই মনোনীত প্রার্থীদের মৌখিকভাবে মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হবে হাইকমান্ড থেকে। প্রার্থী তালিকাটি যথাসময়ে দলের সংসদীয় বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলেও জানা গেছে। অনিবার্য কারণ ব্যতীত তালিকায় খুব একটা যোগ-বিয়োগের সম্ভাবনা নেই বলে দাবি করেছে এ সূত্রটি। সূত্রমতে, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা’ নেয়ার নীতিগ্রহণ করে আওয়ামী লীগ তার গতি প্রকৃতি নির্ধারণ করছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নাম ও আসন নিম্নে দেয়া হলো :

পঞ্চগড়-২ : নূরুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও-১ : রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-২ : দবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর-১ : মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-২ : খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ : ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৪ : আবুল হাসান মাহমুদ আলী, দিনাজপুর-৫ : মুস্তাফিজুর রহমান ফিজার, দিনাজপুর-৬ : শিবলী সাদিক, নীলফামারী-১ : আফতাব উদ্দিন সরকার, নীলফামারী-২ : আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-৩ : গোলাম মোস্তাফা, লালমনিরহাট-১ : মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ : নুরুজ্জামান, লালমনিরহাট-৩ : আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ দুলাল,

রংপুর-২ : আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক, রংপুর-৪ : টিপু মুন্সী, রংপুর-৫ : এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর-৬ : শেখ হাসিনা/শিরীন শারমিন চৌধুরী, গাইবান্ধা-২ : মাহাবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-৩ : ইউনুস আলী সরকার, জয়পুরহাট-১ : শামসুল আলম দুদু, জয়পুরহাট-২ : আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, বগুড়া-১ : আব্দুল মান্নান, বগুড়া-৫ : মো. হাবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : গোলাম রাব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস,

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ : মো. আব্দুল ওদুদ, নওগাঁ-১ : সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-২ : শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৪ : ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ : আব্দুল মালেক, নওগাঁ-৬ : ইস্রাফিল আলম, রাজশাহী-১ : ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-৩ : আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ : এনামুল হক, রাজশাহী-৫ : আব্দুল ওয়াদুদ দারা, রাজশাহী-৬ : মো. শাহরিয়ার আলম, নাটোর-১ : আবুল কালাম, নাটোর-২ : শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-৩ : জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৪ : মো. আব্দুল কুদ্দুস, সিরাজগঞ্জ-১ : মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-২ : ডা. হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-৩ : গাজী ইসহাক হোসেন তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৪ : তানভীর ইমাম, সিরাজগঞ্জ-৫ : আবদুল মজিদ মন্ডল, সিরাজগঞ্জ-৬ : হাসিবুর রহমান খান স্বপন, পাবনা-১ : শামসুল হক টুকু, পাবনা-২ : খন্দকার আজিজুল হক আরজু, পাবনা-৩ : মকবুল হোসেন, পাবনা-৫ : গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, মেহেরপুর-১ : ফরহাদ হোসেন দোদুল,

কুষ্টিয়া-৩ : মাহাবুব-উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ : আব্দুর রউফ, টুয়াডাঙ্গা-১ : সোলায়মান হক জোয়ারদার সেলুন, চুয়াডাঙ্গা-২ : আলী আজগর টগর, ঝিনাইদহ-১ : মো. আব্দুল হাই, ঝিনাইদহ-৩ : মো. নবী নেওয়াজ, ঝিনাইদহ-৪ : আনোয়ারুল আজিম আনার, যশোর-১ : শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ : মনিরুল ইসলাম মনির, যশোর-৩ : কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৪ : রণজিত কুমার রায়, যশোর-৬ : ইসমত আরা সাদেক, মাগুরা-২ : বীরেন শিকদার, নড়াইল-১ : মোহাম্মদ কবিরুল হক মুক্তি, বাগেরহাট-১ : শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-২ : মীর শওকত আলী বাদশাহ, বাগেরহাট-৩ : হাবিবুন নাহার, বাগেরহাট-৪ : ডা. মোজাম্মেল হক,

খুলনা-১ : পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-২ : মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা-৩ : বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা-৪ : আবদুস সালাম মুর্শেদী, খুলনা-৫ : নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৬ : শেখ মো. নুরুল হক, সাতক্ষীরা-২ : মীর মোশতাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৩ : আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা ৪ : জগলুল হায়দার, বরগুনা-২ : শওকত হাচানুর রহমান রিমন, পটুয়াখালী-২ : আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-৩ : আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৪ : মো. মাহবুবুর রহমান, ভোলা-১ : তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-২ : আলী আজম মুকুল, ভোলা-৩ : নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, ভোলা-৪ : আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, বরিশাল-১ : আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, বরিশাল-২ : তালুকদার মো. ইউনুস, বরিশাল-৪ : পঙ্কজ দেবনাথ, বরিশাল-৫ : জেবুন্নেছা আফরোজ,

ঝালকাঠি-২ : আমির হোসেন আমু, টাঙ্গাইল-১ : ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৫ : সানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৭ : মো. একাব্বর হোসেন, জামালপুর-১ : আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর-২ : ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুর-৩ : মির্জা আজম, জামালপুর-৫ : রেজাউল করিম হীরা, শেরপুর-১ : আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-২ : মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-৩ : এ কে এম ফজলুক হক, ময়মনসিংহ-১ : প্রমোদ মানকিন (জুয়েল আরেং), ময়মনসিংহ-২ : শরীফ আহমদ, ময়মনসিংহ-৩ : মজিবুর রহমান ফকির (নাজিম উদ্দিন আহমেদ), ময়মনসিংহ-৬ : মো. মোসলেম উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৯ : আনোয়ারুল আবেদীন খান, ময়মনসিংহ-১০ : ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, ময়মনসিংহ-১১ : ডা. আমান উল্লাহ, নেত্রকোনা-১ : ছবি বিশ্বাস, নেত্রকোনা-৪ : রেবেকা মোমিন, নেত্রকোনা-৫ : ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, কিশোরগঞ্জ-১ : সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৪ : রেজোয়ান আহমদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৫ : আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৬ : নাজমুল হাসান পাপন, মানিকগঞ্জ-৩ : জাহিদ মালেক স্বপন, মুন্সিগঞ্জ-৩ : মৃণাল কান্তি দাস,

ঢাকা-৩ : নসরুল হামিদ বিপু, ঢাকা-৯ : সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-১০ : শেখ ফজলে নুর তাপস, ঢাকা-১১ : এ কে এম রহমতুল্লাহ, ঢাকা-১২ : আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ঢাকা-১৩ : জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৪ : মো. আসলামুল হক আসলাম, ঢাকা-১৫ : কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৬ : মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, গাজীপুর-১ : আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-২ : মো. জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-৩ : রহমত আলী, গাজীপুর-৪ : সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৫ : মেহের আফরোজ চুমকী, নরসিংদী-১ : মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-৪ : নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, নারায়ণগঞ্জ-১ : গাজী গোলাম দস্তগীর, নারায়ণগঞ্জ-২ : মো. নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৪ : শামীম ওসমান, রাজবাড়ী-১ : কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-২ : মো. জিললুল হাকিম, ফরিদপুর-৩ : খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ : মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-২ : শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-৩ : শেখ হাসিনা, মাদারীপুর-২ : শাজাহান খান, শরীয়তপুর-১ : বি এম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-৩ : নাহিম রাজ্জাক,

সুনামগঞ্জ-১ : মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সুনামগঞ্জ-৫ : মুহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-৩ : মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেট-৪ : ইমরান আহমদ, সিলেট-৬ : নুরুল ইসলাম নাহিদ, মৌলভীবাজার-১ : মো. শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ : উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ, হবিগঞ্জ-২ : মো. আব্দুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৩ : আবু জহির, হবিগঞ্জ-৪ : মাহবুব আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : ফয়জুর রহমান বাদল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : এ বি তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-১ : মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভুঁইয়া, কুমিল্লা-৫ : আব্দুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৬ : আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা-৭ : অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ, কুমিল্লা-১০ : আ হ ম মোস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১১ : মো. মুজিবুল হক, চাঁদপুর-২ : মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-৫ : মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম,

নোয়াখালী-১ : এইচ এম ইব্রাহীম, নোয়াখালী-২ : মোর্শেদ আলম, নোয়াখালী-৩ : মামুনুর রশিদ কিরণ, নোয়াখালী-৪ : মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৫ : ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৬ : আয়েশা ফেরদাউস, লক্ষ্মীপুর-৩ : শাহজাহান কামাল, লক্ষ্মীপুর-৪ : মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম-১ : ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-৩ : মাহফুজুর রহমান মিতা, চট্টগ্রাম-৪ : দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম-৬ : এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ : মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ : মো. আফছারুল আমীন, চট্টগ্রাম-১১ : এম আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১২ : সামশুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ : সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রাম-১৪ : নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ : মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কক্সবাজার-২ : আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-৩ : সাইমুম সরওয়ার কমল, খাগড়াছড়ি : যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রাঙামাটি : দীপঙ্কর তালুকদার, বান্দরবান : বীর বাহাদুর উ শৈ সিং।

উল্লেখ্য, সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী রাখছে আওয়ামী লীগ। সংশ্লিষ্ট নেতৃত্ব স্থানীয় সূত্র এই পূর্বাভাস দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণী কূট-কৌশলের ওপরই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতার বিষয়টি। এ জন্য বিএনপির প্রতি ক্ষমতাসীন দলটির সতর্ক পর্যবেক্ষণও রয়েছে। বিএনপি নির্বাচন না করলে আওয়ামী লীগকে এককভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে দেখা যেতে পারে। তবে বিএনপি অংশ নিলে সে ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ শরিকসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দলগুলোকে বিগত নির্বাচনের মতো কিছু আসন ছেড়ে দেবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, বিএনপি আবারও নির্বাচনী অংকে ভুল করবে না। তারা বিগত নির্বাচন বর্জন করে যে ভুল করেছে তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেছে বলে মনে হচ্ছে তাদের কথাবার্তায়। সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য সচিব ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং তা কেবল বিএনপির অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই হতে পারে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো বিকল্প পথ নেই, শেখ হাসিনা সরকারের অধীনেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে হবে এবং তারা নেবেও। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করবে এরকম আশঙ্কা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক মহলে নেই। তারপরেও ‘যদি’র প্রশ্নে একটা বিকল্প চিন্তা মাথায় রাখছে আওয়ামী লীগ।

বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বর্জন করলে আওয়ামী লীগ বর্তমান শরীক দলগুলোকে নিজ নিজ দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরামর্শ দেবে। শরিক দল জাতীয় পার্টির ন্যায় অপর ১৪টি দলের সঙ্গে আসনভিত্তিক আঁতাত গড়ে তুলবে।বিগত নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতার যে অজুহাত তার পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। জাতীয় পার্টিসহ শরীকরা স্ব স্ব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানান এই দু’নেতা।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

নির্বাচন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ‘উদ্বেগে’র কথা জানালো বিএনপি

ক্ষমতাসীন জোটের সাথে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত সংলাপের ফলাফল এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছে বিএনপি।

১২ কোটি টাকার মনোনয়নপত্র বিক্রি আওয়ামী লীগের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অীওয়ামী লীগের চার হাজার ২৩টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

মনোনয়ন ফরম বিক্রির সময় বাড়ালো বিএনপি

দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা দেওয়ার সময় আরো দুইদিন বাড়িয়েছে বিএনপি। সোমবার রাতে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম