21/08/2019 , ঢাকা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণহীন হল


প্রকাশিত: 21/08/2019 04:56:02| আপডেট:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় মানা হচ্ছে না কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত। ৮০-৯০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য মাত্র দুজন শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষার হল কার্যত নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। পরিদর্শক স্বল্পতায় প্রক্সি, জালিয়াতিসহ নানা অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা।

এছাড়া পরিদর্শক সংকট, প্রশ্ন ঘাটতি, অবাধ বিচরণসহ নানা অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকরা। সূত্র মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ২০ পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে শিক্ষক পরিদর্শক হিসেবে থাকার কথা। এবছর থেকে পরীক্ষায় কর্মকর্তাদের পরিদর্শক হিসেবে রাখেনি প্রশাসন। এ নিয়ে কর্মকর্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে শিক্ষকদের অভিযোগ ৪০-৬০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছে প্রশাসন। এতে পরীক্ষার এক ঘণ্টায় সব কাজ সম্পন্ন করতে হিমশিম খাচ্ছেন পরিদর্শকরা। ওএমআর ও প্রশ্ন সরবরাহ, স্বাক্ষর গ্রহণ, লিখিত উত্তরপত্র ছিঁড়ে আলাদা করে পৃথকভাবে রাখা ও প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে সিরিয়ালি সাজাতে নাভিশ্বাস উঠছে তাদের। এছাড়া মাত্র ২-৩ জন শিক্ষক থাকায় জালিয়াতির শঙ্কা রয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ কাজসম্পন্ন করতে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তবে এতে পরীক্ষা গ্রহণ করতে সার্বিক ব্যবস্থাপনা হ-য-ব-র-ল হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সিনিয়র একাধিক শিক্ষক।

রোববার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে ধর্মতত্ত্ব অনুষদভুক্ত এ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। এতে একটি কেন্দ্রে যথা সময়ে ওএমআর ও প্রশ্ন সরবরাহ করতে পারেনি সমন্বয়কারীরা। বেলা সাড়ে ১১টায় ‘বি’ ইউনিটের ১ম শিফট পরীক্ষায় মীর মশাররফ হোসেন ভবনের ২৪০, ৩১৬, ৩১৭, ৩৩৭সহ ৭-৮টি কক্ষে প্রশ্ন ঘাটতি পড়ে। এতে ১৬ মিনিট পর অনুষদ ভবন থেকে প্রশ্ন সরবরাহ করে সমন্বয়কারী কমিটি। এতে পরীক্ষার্থীরা সেট কোড পূরণ করে ফেললে বাড়তি ঝামেলার সম্মুখীন হন শিক্ষক-পরীক্ষার্থীরা।

বিভিন্ন ভবনের একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, ‘পরীক্ষার যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে চরম বেগ পেতে হচ্ছে। আমাদের কাজের চাপের কারণে পরীক্ষার্থীরা অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ পাচ্ছে। খামখেয়ালিভাবে প্রশাসন আমাদের দিয়ে এভাবে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। এভাবে স্বল্প শিক্ষকে কাজ করলে অসঙ্গতি হওয়া একদম স্বাভাবিক।’

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ইবির আইন বিভাগের নয়া সভাপতি ড. নুরুন নাহার

এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্যসহ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ১২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী বৈধ

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই ‘দলীয় কোটায়’ ১২৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়োগ দেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে নতুন চার সদস্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে নতুন চারজন সদস্য মনোনীত হয়েছেন। রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার

মন্তব্য লিখুন...

Top