21/08/2019 , ঢাকা

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল


প্রকাশিত: 21/08/2019 05:24:41| আপডেট:

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নড়াইলের মো. জাহাঙ্গির আলমসহ ৮২ জন সনদধারীর চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছরের বয়সসীমা নির্ধারণ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে এনটিআরসিএ-র চেয়ারম্যানসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এনটিআরসি চেয়ারম্যান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ এনটিআরসিএ-র সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. কায়সার জাহিদ ভূঁইয়া। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট জি এম শরীফুল ইসলাম।

পরে অ্যাডভোকেট জি এম শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত ১৯৭৯ সালের পরিপত্রে চাকরিতে প্রবেশের কোনও নির্দিষ্ট বয়সসীমা ছিল না। কিন্তু ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ থেকে জারিকৃত জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা সংশোধন করা হয়। ওই সংশোধনীর ১১(৬) ধারায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে জারি হওয়া নতুন ওই নীতিমালার কারণে আগে উত্তীর্ণ হওয়া সনদধারীরা তাদের নিয়োগ নিয়ে বিপাকে পড়েন।’

তিনি জানান, তাদের মধ্যে নড়াইলের মো. জাহাঙ্গির আলম, গাজীপুরের মো. হুমায়ুন কবির ও মাগুরার মো. জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন জেলার মোট ৮২ জন গত জানুয়ারি মাসে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি রিট দায়ের করেন। রিটে ২০১৮ সালের বয়স নির্ধারনী জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালাটিকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং রুল জারির আর্জি জানানো হয়।

সেই রিটের শুনানি নিয়ে রোববার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

পরে রিটকারীদের মধ্যে নড়াইলের মো. জাহাঙ্গির আলম বলেন, ‘এনটিআরসিএ গণবিজ্ঞপ্তিতে (২০১৮ সালে) নিয়োগের ক্ষেত্রে সনদধারীদের বয়সসীমা ২০১৮ সালের ১২ জুনের মধ্যে যাদের বয়স ৩৫ বা তার কম ছিল, কেবল তাদেরকেই নিয়োগের জন্য আবেদনের সুযোগ দিয়েছিল। অথচ পূর্বের ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জনবল কাঠামো নীতিমালায় এবং পূর্বের প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের কোনও আইনে যারা এরইমধ্যে সনদ পেয়েছেন, তাদের জন্য বয়স ৩৫ বছর নিয়োগের ক্ষেত্রে উল্লেখ ছিল না। এছাড়া, আগের নীতিমালা অনুসারে সনদধারী ব্যক্তি নিয়োগ না পাওয়া পর্যন্ত তার সনদের মেয়াদ থাকবে বলেও উল্লেখ করা ছিল। তাই ২০১৮ সালের নীতিমালাটি সাংঘর্ষিক হওয়ায় আমরা ২০১৮ সালের আগের সনদধারীদের মধ্যে ৮২ জন হাইকোর্টে রিট দায়ের করি।’


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নতুন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে যাতে নতুন কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে না উঠে সে বিষয়ে নজরদারি করতে থানা,

ফাইল ছবি

জাতীয় দিবসগুলো শিক্ষকদের কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হোক

প্রশ্ন হচ্ছে, বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে যেহেতু জাতীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করতে হয়, তাহলে

শিক্ষকের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী

অভিযুক্ত শিক্ষক যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য লিখুন...

Top