17/07/2019 , ঢাকা

এমপিওভুক্তি নিয়ে বাজেট আলোচনায় যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী


প্রকাশিত: 17/07/2019 14:49:12| আপডেট:

নিজস্ব প্রতিবেদক: যোগ্য সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। সোমবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের সম্পদ সীমিত হওয়া সত্ত্বেও ৪টি শর্তের ভিত্তিতে যোগ্য বিবেচিত সকল প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী এসময় ৪টি শর্তের কথা তুলে ধরেন। এগুলো হলো- প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি থাকা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা।

বাছাইয়ের প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ইনপুট দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের তালিকা হয়েছে যেখানে কারও হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

এমপিওভুক্তি প্রশ্নে দীপু মনি বলেন, কাউকে বঞ্চিত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। আমরা সকল ক্ষেত্রে রিওয়ার্ড এবং পেনাল্টির কথা বলি। একজন শিক্ষক ‘ভালো শিক্ষক’ কিনা তার পরিচয় কী? একজন শিক্ষকের পরিচয় অবশ্যই তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স দিয়ে। আর তাহলেই তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী থাকবে, পরীক্ষার্থী থাকবে এবং তার পরীক্ষার ফলাফল ভালো হবে। শিক্ষক যদি অযোগ্য হয় তাহলে বিপরীত অবস্থা হবে। আমরা শুনতে পাই, পত্রিকায় রিপোর্ট হয়- কোনও কোনও শিক্ষক টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন নোট বই, গাইড বই শিক্ষার্থীদের কিনতে বাধ্য করেন। স্কুলে না পড়িয়ে বাধ্য করেন তাদের কোচিংয়ে পড়তে। সেই কারণে দেখা যাচ্ছে কোথাও কোথাও শিক্ষার্থীদের ফলাফল খারাপ হয়। যে শিক্ষকেরা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত আমরা নিশ্চয়ই তাদের রিওয়ার্ড করতে চাই না। আবার এমপিও যে প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় তারও কদর থাকে না।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, যেগুলো যোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি আমরা চেষ্টা করি কীভাবে সেগুলোকে উন্নত এবং যোগ্য করে তোলা যায়। এখানে কেউ কেউ বলতে পারেন এমপিও দিলে পরে যোগ্য হবে। তাহলে যারা নিজেদের যোগ্য করেছে তাদের প্রতি তো অবিচার হয়। যোগ্য আর অযোগ্য সবাইকে সমান দিলে যোগ্যতার কদর কোথায় থাকে? সংসদ সদস্যদের অনুরোধ জানাতে চাই, আপনাদের এলাকায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি সেগুলোর দিকে আসুন আমরা সবাই মনোযোগ দেই। তাহলে নিশ্চয়ই অদূর ভবিষ্যতে তারা যোগ্য হয়ে উঠবে। দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যোগ্য হয়ে উঠবে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

২০ ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় দুই শিক্ষক ৭ দিনের রিমান্ডে

এমনকি ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ওই ছাত্রীদের মায়েদের সঙ্গেও একইভাবে যৌনাচার এবং মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন।

প্রাথমিক শিক্ষক হতে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি

এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ছাপানো থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত নজিরবিহীন গোপনীয়তা এবং সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, শিক্ষকের কারাদণ্ড

মাগুরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তরপত্র পূরণ করে দেয়ার অভিযোগে এক শিক্ষককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে

মন্তব্য লিখুন...

Top