18/02/2019 , ঢাকা

এমপিওভুক্তি নিয়ে সংসদে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী


প্রকাশিত: 18/02/2019 22:24:13| আপডেট:

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির তালিকা তৈরির কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তালিকা তৈরির কাজ শেষ হলে দ্রুতই এমপিওভুক্তি করা হবে বলেও তিনি জানান।

রোববার জাতীয় সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী ও সরকারি দল আওয়ামী লীগের সদস্য পংকজ দেবনাথের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান মন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবি বিদায়ী সংসদে (দশম সংসদ) আমারও ছিলো। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এরইমধ্যে এমপিওভুক্তির জন্য অনলাইনে আবেদন চাওয়া হয়েছে। আবেদনপত্র জমাও নেওয়া হয়েছে। এখন এমপিওভুক্তির জন্য তালিকা তৈরির কাজ চলছে। দ্রুত তালিকা তৈরির কাজ শেষ করে পর্যায়ত্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে। অর্থসংস্থান অনুযায়ী এই মুহূর্তে যতোগুলো সম্ভব ততোগুলো করা হবে।

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্য-প্রযুক্তি (আইসিটি) কোর্স চালুর ব্যাপারে সরকার আন্তরিক বলেও জানান ডা. দীপু মনি।

সরকার দলের সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুর এক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য-প্রযুক্তি (আইসিটি) কোর্স চালু ও সেখানে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সরকার আন্তরিক। যেখানে কোর্স চালু হওয়ার পরও শিক্ষক নেই, সেখানে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে প্রশ্নপত্র বিতরণে কেলেংকারির ঘটনা নিয়ে সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যরা। তারা বলেছেন, প্রশ্নপত্র বিভ্রাটে বেশ কিছু কেন্দ্রে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে হয়েছে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের।

অবশ্য এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি কোনোওশিক্ষার্থী যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্বারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কেলেংকারির বিষয়টি উত্থাপিন করেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে জাতীয় পার্টির এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে জানতে চান, কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে ভিন্ন প্রশ্নে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। যা তাদের শিক্ষাজীবনের ওপর প্রভাব ফেলবে। এ বিষয় মন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারাদেশের এসএসসি পরীক্ষার প্রায় ৪ হাজার কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্র সচিবসহ যাদের ভুলের কারণে এটা ঘটেছে, ইতোমধ্যে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত্ম কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ি সকলের বিরম্নদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রথম দিনের পরীক্ষায় যারা ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে, তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সেজন্য তাদের খাতা ভিন্নভাবে দেখা হবে। আগামীতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে- সে বিষয়েও সংশিতষ্ট সকলকে সতর্ক করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী নৈতিকতাবিরোধী বক্তব্য দিলেন। যারা ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের কোন মানদণ্ডে নম্বর দেবেন। সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে তারা পরীক্ষায় কী লিখলো? তারা না লিখলেও কী নম্বর দিবেন? বরং তাদের সিলেবাসে নতুন প্রশ্নে তাদের আবরো পরীক্ষা নেওয়া যায় কি-না?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নতুন করে পরীক্ষা নিলেও তো একই মানদণ্ড নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কারণ আগের যে প্রশ্নে অন্যরা পরীক্ষা দিয়েছে, একই প্রশ্নে আবারো পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই। আর নতুন প্রশ্ন করলে তো আলাদাই হলো। তবে, সমাধান কী? এবিষয়ে যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেওয়া শিক্ষার্থীদের খাতা ভিন্নভাবে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে মন্ত্রীদের জন্য নির্বারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে জাতীয় পার্টির এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান, কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে ভিন্ন প্রশ্নে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। যা তাদের শিক্ষাজীবনের ওপর প্রভাব ফেলবে। এ বিষয় মন্ত্রণালয় কি ব্যবস্থা নিয়েছে?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারাদেশের এসএসসি পরীক্ষার প্রায় ৪ হাজার কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্র সচিবসহ যাদের ভুলের কারণে এটা ঘটেছে, ইতোমধ্যে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ি সকলের বিরম্নদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রথম দিনের পরীক্ষায় যারা ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে, তাদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তারা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সেজন্য তাদের খাতা ভিন্নভাবে দেখা হবে। আগামীতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে- সে বিষয়েও সংশিতষ্ট সকলকে সতর্ক করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী নৈতিকতাবিরোধী বক্তব্য দিলেন। যারা ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের কোন মানদণ্ডে নম্বর দেবেন। সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে তারা পরীক্ষায় কী লিখলো? তারা না লিখলেও কী নম্বর দিবেন? বরং তাদের সিলেবাসে নতুন প্রশ্নে তাদের আবরো পরীক্ষা নেওয়া যায় কি-না?

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নতুন করে পরীক্ষা নিলেও তো একই মানদণ্ড নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কারণ আগের যে প্রশ্নে অন্যরা পরীক্ষা দিয়েছে, একই প্রশ্নে আবারো পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই। আর নতুন প্রশ্ন করলে তো আলাদাই হলো। তবে, সমাধান কী? এবিষয়ে যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে তা মন্ত্রণালয়কে জানানোর অনুরোধ জানান তিনি।

শনিবার সকাল ১০টায় সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এদিন চট্টগ্রাম, জামালপুর, নওগাঁ, শেরপুর, সাতক্ষীরা, মুন্সিগঞ্জ, গাইবান্ধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাগেরহাট ও মাদারীপুরে মোট ১৮টি কেন্দ্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে প্রধান শিক্ষকের কাণ্ড!

প্রধান শিক্ষক তাদের দুইজনকে ধরে নিয়ে একটি কক্ষের মধ্যে আটকিয়ে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুষি, চড়থাপ্পড় ও মাথার চুল ধরে ওয়ালের সাথে ধাক্কা মারতে থাকে।

উপজেলা নির্বাচনে লড়ছেন স্কুলশিক্ষিকা রোমানা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী এই তরুণীর প্রিয় পেশা শিক্ষকতা। শিক্ষার আলোয় সমাজ উন্নয়নের কর্মী হিসেবে কাজ করতে ভালবাসেন

চিকিৎসক স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে আদালতে স্বামী

দীপু তার অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে গেলে স্ত্রী এশার সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আসামি মুনতাছির তার বাড়ি আসা-যাওয়া করতো।

মন্তব্য লিখুন...

Top