20/07/2019 , ঢাকা

এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ২২৮ শিক্ষক


প্রকাশিত: 20/07/2019 05:43:32| আপডেট:

বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন করে ২২৮ শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে এসএসসি (ভোকেশনাল) শাখায় ৪১ এবং এইচএসসি (বিএম) শাখায় ১৮৭ শিক্ষক রয়েছেন। এসব শিক্ষকদের এমপিও বাবদ সরকারি কোষাগার থেকে বাৎসরিক প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানা গেছে, বেসরকারি কারিগরিতে অনুমোদিত বিভিন্ন শ্রেণি, ট্রেড ও স্পেশালাইজেশনে ২০১১ সালের ১৩ নভেম্বরের পরে নিয়োগপ্রাপ্ত ভোকেশনাল ও বিএম শাখার ২২৮ শিক্ষক ও প্রভাষকদের এমপিওভুক্তিকরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এসব শিক্ষকদের বাৎসরিক বেতন-ভাতাসহ ৬ কোটি ৩৭ লাখ ২৯ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছর থেকে এসব শিক্ষকদের এমপিও সুবিধা প্রদান করা হবে। পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ অর্থ ছাড়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের উপসচিব তানিমা তাসনিম স্বাক্ষরিত গত ৩১ অক্টোবর এসব শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ও সহায়তা বাবদ অর্থ ছাড়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাকির ভূইয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি ভোকেশনাল ও বিএম প্রতিষ্ঠানে ২০১১ সালের পরে নিয়োগ পেলেও এখন তাদের এমপিওভুক্ত করা হয়নি। চলতি অর্থবছর নির্ধারিত বাজেট থেকে তাদের এমপিওভুক্তকরণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন করে ২২৮ শিক্ষককে এমপিওভুক্তি বাবদ ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অর্থ ছাড়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দ্রুত এ অর্থ ছাড় দেয়ার কথা রয়েছে। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে তাদের এমপিভুক্তির আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন: যে কারণে প্রধান শিক্ষিকা গোপনে জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন চেয়েছিলেন?

স্কুলে ভর্তি পরীক্ষাও শেষ করতে হবে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

২০ ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় দুই শিক্ষক ৭ দিনের রিমান্ডে

এমনকি ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ওই ছাত্রীদের মায়েদের সঙ্গেও একইভাবে যৌনাচার এবং মোটা অংকের অর্থ আদায় করেন।

এমপিওভুক্তি নিয়ে বাজেট আলোচনায় যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

এমপিওভুক্তি প্রশ্নে দীপু মনি বলেন, কাউকে বঞ্চিত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। আমরা সকল ক্ষেত্রে রিওয়ার্ড এবং পেনাল্টির কথা বলি।

প্রাথমিক শিক্ষক হতে ১০ লাখ টাকায় চুক্তি

এবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ছাপানো থেকে শুরু করে কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত নজিরবিহীন গোপনীয়তা এবং সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন...

Top