17/01/2019 , ঢাকা

কান্নায় ভেঙে পড়লেন মির্জা ফখরুল


প্রকাশিত: 17/01/2019 06:17:01| আপডেট:

নিষ্প্রাণ তরিকুল ইসলামের সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী তরিকুল ইসলামের মৃত্যুর খবর পেয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালে ‍ছুটে যান বিএনপির নেতাকর্মীরা। হাজির হন ফখরুলও।

ক্যান্সারে আক্রান্ত তরিকুল এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে মারা যান।

পরে তরিকুলের মরদেহের সামনে দাঁড়িয়ে মির্জা ফখরুল কাঁদতে কাঁদতে বলেন, তরিকুল ভাই এভাবে চলে যাবেন আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি কোনোভাবে বিশ্বাস করতে পারছি না ভাই নেই। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান এবং তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী দর্শনের আপাদমস্তক একজন নেতা।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, তরিকুল ভাই আমাদের নেতা ছিলেন। ৫০ বছর আমাদের সম্পর্ক। মজলুম জননেতা তরিকুল ভাই ছিলেন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ। জীবনের প্রথম থেকে রাজনীতি, শেষও রাজনীতিতে। এই রাজনীতি ছিল দেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য। জনগণের আদালতে তিনি পরীক্ষা দিয়ে গেছেন। রাজনীতি বিচ্ছিন্ন তরিকুল ইসলাম কেউ নন। তরিকুল ইসলামই আমাদের আদর্শ।

এ সময় দলের ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ নেতাদের মধ্যে শোকের ছায়া ফুটে উঠে।

অ্যাপেলো হাসাতাল থেকে রাত সাড়ে ৭টায় অ্যাম্বুলেন্সে করে তরিকুল ইসলামের মরদেহ নিয়ে আসা হয় তার শান্তিগরের অ্যাপার্টমেন্টে। তার মরদহে দেখে সেখানেও বিএনপির অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন সেখানে ছিলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, তরিকুল ভাই আমাদের অনেকের রাজনৈতিক জীবনের অভিভাবক ছিলেন। তার এই মৃত্যু কখনো মেনে নেওয়ার নয়।

রাতে বারডেমের হিমঘরে তরিকুল ইসলামের মরদেহ রাখা হয়।

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

কিছুই শেষ হয়নি, আবার উঠে দাঁড়াব: ফখরুল

নির্বাচনের রেশ কাটিয়ে নেতা-কর্মীদের শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে নতুন করে লড়াইয়ে ডাকলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোটের

একটি আসনে জিতেছে ধানের শীষ

ধানের শীষের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৭২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৬৭৯ ভোট।

বিএনপি প্রার্থীর সামনেই কর্মীকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ (ভিডিও)

অনুরোধ উপেক্ষা করেই পুলিশ সদস্যরা কর্মী পলাশকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে সরোয়ারকে ধাওয়া দেয় পুলিশ। ধাওয়া খেয়ে সরোয়ার উপস্থিত জনতার

মন্তব্য লিখুন...

Top