17/07/2019 , ঢাকা

খুনে তিমির কারণে অর্ধশতাধিক ডলফিনের মৃত্যু


প্রকাশিত: 17/07/2019 14:38:27| আপডেট:

সম্প্রতি আর্জেন্টিনার একটি জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকতে অন্তত ৬০টি ডলফিনকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল জানায়, সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় পাতাগোনিয়ার পুয়েত্রো মাদ্রিনের সৈকতে ৬১টি ডলফিনের অধিকাংশকেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলফিনগুলোর অকাল মৃত্যুর জন্য ওই অঞ্চলে হানা দেয়া খুনে তিমিরা দায়ি।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, এল ডোরাডিল্লো’র সৈকতে থাকা ৪৯টি ডলফিন মৃত্যুবরণ করলেও ১২টি ডলফিনকে আবারও সাগরে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, উপকূলবর্তী এলাকা ভ্রমণের সময় এক দম্পতি কাছেই প্রচুর সংখ্যক পাখি উড়তে দেখে সন্দেহ করে। এরপর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গেলে ডলফিনের মৃত্যুর ঘটনাটি প্রকাশ পায়।

দৃশ্যটি দেখেই সেই দম্পতি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উপকূলীয় কর্তৃপক্ষ খবর পেয়েই দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।

তাদের দ্রুত তৎপরতায় তখনও বেঁচে থাকা ডলফিনগুলোকে সাগরে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয়।

ডলফিনদের প্রাণ বাঁচানোর সেই উদ্যোগের পুরোধা হিসেবে ছিলেন মারিয়ানো কোসকারেল্লা এবং সিলভানা ডানস।

এই দুই বিজ্ঞানী মেরিন সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী ল্যাবরেটরিতে সামুদ্রিক নিয়ম-নীতি নিয়ে গবেষণা করছেন।

দ্রুত উদ্যোগের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারা বলেন, মৃত ডলফিনের নমুনা তারা সংগ্রহ করেছেন। সেগুলো পরীক্ষা করে তারা ডলফিনের রহস্যময় মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করবেন।

স্থানীয় কর্তপক্ষের তরফে নেস্টার গার্সিয়া জানিয়েছেন, ‘ডলফিনগুলোর মৃত্যুর কারণ এখন জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এই অঞ্চলের সাগরে থাকা খুনে তিমিরা ডলফিনগুলোর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যদিও তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না। গবেষণার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।’


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এখন বিশ্বের জন্য অনুসরণীয়’

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বিশ্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে অনন্য। প্রতিবেশী এ দুটি দে

দীর্ঘদিনের গোপন ট্যাটু প্রকাশ্যে আনলেন সামান্থা

নতুন সিনেমা ‘ওহ বেবি’ ভালো ব্যবসা করছে। সেই সাফল্যে হাওয়ায় ভাসছেন ভারতের দক্ষিণী সুন্দরী সামান্থা আক্কিনেনি। এবার নিজের দীর্ঘদিনের

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেতাবি কথা: রুমিন ফারহানা

সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করা কেতাবি কথা ছাড়া আর কিছুই নয়, বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

মন্তব্য লিখুন...

Top