26/06/2019 , ঢাকা

গ্রেফতার এবং তার স্বচ্ছতা


প্রকাশিত: 26/06/2019 07:47:40| আপডেট:

তাহেরা বেগম জলি: আমরাও হয়েছিলাম কারাবন্দি। ঝিনেদা মায়ের বাসা থেকে প্রথম গ্রেফতার হই। আমাকে সেদিন পুলিশ বাহিনী মাঝরাতেই গ্রেফতার করতে পারতো। না সেদিন তারা তা করেনি। আমি যেন পালিয়ে যেতে না পারি, তার জন্য আমাকে গ্রেফতারের দুইঘন্টা আগে থেকেই বাড়ির চারপাশে বসিয়েছিলো সতর্ক পাহারা। তারা ছিলো দিনের আলোর অপেক্ষায়।

আমাকে গ্রেফতারে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঝিনেদা মহকুমার এসডিপিও জনাব আমানুল্লাহ্ সাহেব। ঝিনেদা থানার মধ্যে বসে তাঁর সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হয়েছিলো। আমি কৌতুহল বশত জানতে চেয়েছিলাম, আমাকে তো সকাল হওয়ার আগেই এ্যারেস্ট করতে পারতেন। বাড়ি ঘিরে রেখে বসে ছিলেন কেন? তিনি দিয়েছিলেন একটা অসাধারণ উত্তর।

“সম্ভব হলে সব সময়ই নিয়ম স্বচছতার মধ্য দিয়ে গ্রেফতার করা। মেয়েদের ক্ষেত্রে তো আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ।”


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে স্ত্রীর সাথে যৌন মিলনের ছবি ফেসবুকে দিলেন পুলিশ সদস্য

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, আমি শুনেছি শোভন কর্মস্থলে গরহাজির থাকে। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহে মাদক মামলায় ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। বিচারক দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামি আনিছুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড

ঝিনাইদহে সাবেক স্বামীর ছুরিকাঘাতে নারী জখম

আয়াতুল্লাহ বেহেস্তী তার সহকর্মী জান্নাতুল নাহারের সাথে অফিসে দেখা করতে আসে। এক পর্যায়ে তারা অফিসের বাইরে বারান্দায় গেলে জান্নাতুলকে ধারালো কিছু দিয়ে মুখে, পিঠে আঘাত করে।

মন্তব্য লিখুন...

Top