20/08/2019 , ঢাকা

চুয়াডাঙ্গায় শাশুড়ি হত্যাকারী সিআইডি কনস্টেবল গ্রেফতার


প্রকাশিত: 20/08/2019 11:06:48| আপডেট:

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা সিআইডি কনস্টেবল অসীম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার ৫ দিন পর বুধবার বিকেল চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কের ছাগলফার্ম এলাকা থেকে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত অসীম ভট্টাচার্য খুলনার দৌলতপুরের মৃত দুলাল ভট্টাচার্যের ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সিআইডি বিভাগে কর্মরত।

পুলিশ জানায়, বুধবার বিকেলে ঘোড়ামারা ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে ডিউটিরত ছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসসহ চারজন কনস্টেবল। এ সময় মুখে গামছা জড়িয়ে এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল নিয়ে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তার গতিরোধ করে।

ট্রাফিক সার্জেন্ট মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, গাড়ি থামিয়ে তার গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি নিজেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে আমরা তার মুখের গামছা সরালে নিশ্চিত হয় তিনি শাশুড়ি হত্যাকারী পলাতক সিআইডি কনস্টেবল অসীম। এরপর তাকে আটক করার চেষ্টা করলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। আমরাও তার পিছু ধাওয়া করি। প্রায় দেড় কিলোমিটার অতিক্রমের পর আমরা তাকে আটক করি। এ সময় অসীম তার কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে এক কনস্টেবলকে আঘাত করারও ব্যর্থ চেষ্টা করেন।

গ্রেফতারের পর অসীম ভট্টাচার্য অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতালে যান এবং দায়িত্বরত ট্রাফিক সদস্যদের নগদ অর্থ পুরস্কৃত করেন।

প্রসঙ্গত, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে গত শনিবার ভোরে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলা শহরের মাদ্রাসা পাড়ার ভাড়াটিয়া বাসাতে শাশুড়ি শেফালী অধিকারীকে ছুরিকাঘাতে খুন করে চুয়াডাঙ্গা সিআইডিতে কর্মরত কনস্টেবল অসীম ভট্টাচার্য। একই সাথে স্ত্রী ফাল্গুনী অধিকারী ও আনন্দ অধিকারীকেও খুনের উদ্দেশ্যে উপর্যুপরী ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়। পরে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া আড়াইশ বেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে রাজশাহী মেডিক্যালে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকেই লাপাত্তা ছিলেন অভিযুক্ত অসীম ভট্টাচার্য। অবশেষে ঘটনার ৫ দিন পর গ্রেফতার হলো ঘাতক অসীম।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

শিক্ষককে ‘ফাঁসাতে’ মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের পর মাথা কেটে হত্যা

গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ মাদ্রাসাছাত্র তাদের শিক্ষক তামিমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সহপাঠী আবিরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

চুয়াডাঙ্গায় ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাড়ির ভেতর, শিক্ষক নিহত

ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। এতে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা গৃহকর্তা সাইদুর রহমান ওই ট্রাকের চাকার নিচে

ভবনের বিভিন্ন কক্ষ-টয়লেট থেকে একে একে গ্রেপ্তার ১৩

চুয়াডাঙ্গা শহরের শান্তিপাড়া এলাকার নির্মাণাধীন একটি চারতলা ভবন থেকে হত্যা, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত ১১টার দিকে দুই ঘণ্টার অভিযান শেষে তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

মন্তব্য লিখুন...

Top