22/08/2019 , ঢাকা

ঝিনাইদহে দেবে গেছে ব্রিজ, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন


প্রকাশিত: 22/08/2019 18:21:42| আপডেট:

স্টার মেইল, ঢাকা: খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় ব্রিজ ফেটে দেবে গেছে। দেবে যাওয়া ব্রিজ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। সড়ক বিভাগ বলছে, নতুন ব্রিজ করতে হবে। কাজ শুরু হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।

গত মাসে খুলনার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী এ মহাসড়কের পুরনো ব্রিজটিতে ভয়াবহ ফাটল দেখা দেয়। এরপর সড়ক বিভাগ থেকে ব্রিজের দু’পাশে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর থেকে ভাঙা সেতুর ওপর দিয়ে একমুখী পথে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এতে প্রতিনিয়ত যানজটে পড়তে হয় যাত্রী ও চালকদের।

স্থানীয়রা জানায়, অত্যন্ত ব্যস্ততম এই মহাসড়ক। প্রতিদিন এ মহাসড়ক দিয়ে প্রায় তিন হাজারেও বেশি যানবাহন চলাচল করে। বর্তমানে ভাঙা ব্রিজের একপাশের অবশিষ্ট অংশ দিয়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচল করছে।

এই মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী ট্রাকচালক সাপ্পা মন্ডল স্টার মেইলকে বলেন, কুষ্টিয়া থেকে মালামাল নিয়ে খুলনা যাচ্ছি। কিন্তু এখানে ব্রিজ ভেঙে গেছে জানা ছিল না। ব্রিজ ভাঙার কারণে চার কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে যেতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা সৈরভ হোসেন বাবু বলেন, মহাসড়কের ব্রিজ অনেক দিন ধরে ভেঙে পড়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে মানুষ চলাচল করছে। সেখানে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা।

পথচারী আব্দুল গণি বলেন, সড়কটি এ অঞ্চলের মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে সবার। ব্রিজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাই আমরা।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম স্টার মেইলকে বলেন, পুরাতন ব্রিজটি ফেটে দেবে গেছে। এ কারণে ব্যারিকেড দিয়ে ব্রিজ বন্ধ করে দিয়েছি। ব্রিজটি নতুন করে করতে হবে। এজন্য একটু সময় লাগবে। তবে এ বছরের মধ্যেই নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে হিজড়াদের বিচার চাইলেন হিজড়ারা

লিঙ্গ কর্তনকারী হিজড়াদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন অপকর্মে প্রতিবাদ,

ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

ওঝার কাছে ঝাড়ফুঁক করার পর কিছুটা সুস্থবোধ করলে সাকিবকে বাড়িতে আনা হয়।

ঝিনাইদহে ছাত্রীকে গণধর্ষণ, আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার

ঈদুল আজহার দিন সন্ধ্যায় নির্যাতিতা স্কুলছাত্রী পাশের বাড়িতে তার মাকে খুঁজতে যায়। এ সময় বাদশা ও তার সহযোগীরা

মন্তব্য লিখুন...

Top