13/11/2018 , ঢাকা

ঝিনাইদহে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন


প্রকাশিত:4:47 pm | November 7, 2018 | আপডেট:

ঝিনাইদহে স্ত্রী রীনা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী রিয়াদ মুন্সিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম আযম এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সোনাদাহ গ্রামের রীনাকে কয়েকজন ব্যক্তি ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন করার সময় মরদেহে আঙুলের ছাপ দেখতে পায়। পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে রীনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার বিষয়টি জানা যায়।

এরপর পুলিশ বাদী হয়ে ওই গৃহবধূর স্বামী রিয়াদ মুন্সিকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।

সদর থানার সেই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াসিন আলী মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর আদালতে রিয়াদ মুন্সির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বুধবার এ রায় দেন আদালত।

ঝিনাইদহের গীতা দাসের চিকিৎসা বন্ধ টাকার অভাবে

‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু…’, ভূপেন হাজারিকা জীবনমুখী গানের অংশ এটি। মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করাই মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত, একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে।

চিকিৎসার অভাবে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ পার্শ্ববর্তী ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পে বসবাস করা গীতা দাস (৩৮) অর্থ ও সহানুভূতির জন্য তিন বছর ধরে দিনের পর দিন চোখের জল গড়িয়েছেন।

গীতা দাস জানান, ঠিকমতো হাঁটতে পারি না। হাঁটলেই ব্যথা করে। কোনো কাজ করতে পারি না। আমার ভাঙ্গা ডান পায়ে যে অপারেশন করে স্টিলের পাত ও স্ক্রু লাগানো। ডাক্তার বলেছিলেন, এক বছর পর পা থেকে এগুলো বের করতে হবে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস তিন বছর হয়ে গেল টাকার অভাবে পা থেকে এ স্টিলের পাত ও স্ক্রু আর খুলতে পারছি না। এগুলো খুলতে আবারো পায়ে অস্ত্র প্রচার করতে হবে। এতে প্রযোজন ৬০ হাজার টাকা।

রিক্সা চালক স্বামী বিপুল দাসের (৪৫) পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে কোনোমতে।

নিজের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে গীতা দাস বলেন, তিন বছর আগে দুর্ঘটনায় আমার ডান পা ভেঙে যায়। তখন সদর হাসপাতালে গেলে তারা ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। ডাক্তার বলেন, পায়ে অপারেশন করতে হবে। এতে খরচ হবে ৬০ হাজার টাকা। টাকার অভাবে ঢাকা থেকে ফিরে আসি। পরে ঝিনাইদহের একটি ক্লিনিকে (অর্থো-সার্জারী) ডা. নাজমুল হুদাকে দেখালে তিনিও অপারেশনের কথা বলেন। তখন গরু-ছাগল বিক্রি করে ও মানুষের আর্থিক সাহায্যে আমার ডান পায়ে অপারেশন করা হয়।

অপারেশনে পায়ে স্টিলের রড ও স্ক্রু লাগানো হয়। ডাক্তার বলেন, এক বছর পর এগুলো পা থেকে খুলতে হবে। কিন্তু তিন বছরেও পা থেকে এগুলো খুলতে পারিনি ৬০ হাজার টাকার জন্য। বর্তমানে আমার পা ফুলে যাচ্ছে প্রচণ্ড যন্ত্রনা হয়। রাতে ঘুমাতেও পারি না যন্ত্রণাতে।

সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন গীতা রানী। আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে যোগাযোগ: ০১৯৯৪-৫৫৪৩০৪ ((গীতা দাস)।

ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী ছবিঘর সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে

সিনেমা হলের গায়ে লম্বা পোস্টারে নায়ক নায়িকাদের ছবি বড় মাপে লেখা সিনেমার নাম। টিকিট কাউন্টারে ভিড়। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে লাল রঙের টিকিট হাতে। যুবকটির বার বার ঘড়ি দেখা। এসব দৃশ্য আর দেখতে পাওয়া যাবে না, এক পলকে এসব যেন শুধু স্মৃতির পাতায় স্থান পাবে৷ ঝিনাইদহ শহরের গীতাঞ্জলি সড়কের নবগঙ্গা নদীর কোল ঘেসে ৬৪ শতক জমির উপর ১৯৫৫ সালের দিকে গড়ে উঠেছিল জেলার প্রথম ঐতিহ্যবাহী ছবিঘর সিনেমা হলটি।

জানা গেছে, এক সময় এ হলে উত্তম কুমার সুচিত্রা সেন ও পাকিস্থানের উর্দু ছবিও চলেছে। কিন্তু বর্তমানে মালিক পক্ষ হলটি হঠাৎ করেই বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে ছবিপ্রিয় সাধারণ মানুষদের মধ্যে হতাশা দেখা যাচ্ছে। হলের সামনে দেওয়ালে নোটিস বোর্ড ঝুলছে আগামী ৬ ডিসেম্বর বন্ধ হচ্ছে সিনেমা হলটি।

শহরের কাঞ্চননগর এলাকার মিজানুর রহমান (শুনা) নামের এক ব্যক্তি বলেন, আমি ১৯৬৮ সালে এই ছবিঘর সিনেমা হলে রুপবান ছবি দেখেছিলাম। বর্তমানে ছবিঘর সিনেমা হলটি বন্ধ হতে যাচ্ছে শুনে খারাপই লাগছে। কারণ হলো সিনেমা দেখে মানুষেরা আনন্দ উপবোগ করে। কিন্তু সেই উপভোগ থেকে ঝিনাইদহবাসী বঞ্চিত হতে যাচ্ছে।

হলের বর্তমান মালিক এ্যাডভোকেট মাজহারুল আনোয়ার সবুজ বলেন, এটি তার পারিবারিক সম্পত্তি। পূর্বপুরুষরা ৫০ দশকের দিকে ৬৪ শতক জমিসহ ভবনটি কেনেন। তখনকার সময় এ ভবনটি পাটের গোডাউন হিসাবে ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে ভবনটি সংস্কার করে সিনেমা হলে পরিণত করা হয়।

হলটির মালিকদের সম্পর্কে তিনি বলেন, মূলত আমার দাদারা এ হলটির মালিক ছিলেন। তারা হলেন, মরহুম সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, মরহুম আনসার উদ্দিন, মরহুম শহীদ নজির উদ্দীন ও মোঃ কাজী রায়হান উদ্দিন। আমার দাদারা মিলে এই সম্পত্তিটি কেনেন এবং তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ছবিঘর সিনেমা হলটি জনপ্রিয়তা পায়। বর্তমান হলের ভবনটি সে সময় পাটের গোডাউন ছিলো। পরে সংস্কার করে ছবিঘর সিনেমা হল তৈরি করা হয়। তখন মরহুম সিরাজ উদ্দিন আহমেদ এ সিনেমা হলটি পরিচালনা করতেন। মরহুম সিরাজ উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর পর ছেলে, পৌর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মশা হলটি পরিচালনা করার দায়িত্ব নেন। চেয়ারম্যানের মৃত্যুর পর তার ছেলে মাজহারুল আনোয়ার সবুজ ২০০১ সালে পরিবারের অন্যান্য মালিকদের কাছ থেকে লিজের মাধ্যমে হলটি চালাচ্ছেন বর্তমানে।

সিনেমা হলটি বন্ধ হচ্ছে কেনো জানতে চাইলে এ্যাডভোকেট মাজহারুল আনোয়ার সবুজ বলেন, সিনেমা হলটির জমির অংশীদার এখন বেড়ে গেছে। পরিবারের অনেক সদস্যরা চাচ্ছেন না হলটি থাকুক তাছাড়া অনেকেই তাদের অংশের জমি বিক্রি করতে চাচ্ছেন। সে জন্য বর্তমানে হলটি টিকিয়ে রাখা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। যার ফলে বাধ্য হয়েই বন্ধ করতে হচ্ছে বাপ দাদার গড়া প্রতিষ্ঠানটি।

জেলা কালচারাল কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন বলেন, চলচ্চিত্র সমাজ পরির্তনের সবসময় ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে। চলচ্চিত্র প্রকাশের মূল মাধ্যম সিনেমা হল। সেই সিনেমা হল যদি একের পর এক বন্ধ হয়ে যায় তাহলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের উপরে ক্ষতিকারক প্রভাব আনবে। সেজন্য পুরাতন সিনেমা হলগুলোকে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা তত্বাবধানের আওতায় নিয়ে এসে সিনেমা হলগুলোকে বাচাতে হবে। ছবিঘর সিনেমা হলটি অত্যাধুনিক সিনে কমপ্লেক্স এ রুপান্তরের দাবি জানান তিনি।

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ঝিনাইদহের ইতিহাসের সাথে ছবিঘর সিনেমা হলটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ ঐতিহ্যবাহী হলটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি দুঃখজনক।

তিনি জানান, হলটি টিকিয়ে রাখার জন্য জেলা প্রশাসন থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করা হবে। মন্ত্রণালয় যেভাবে নির্দেশনা দেয় আমরা সে প্রক্রিয়ায় আগাবো।

যে কারণে ঝিনাইদহের এই প্রধান শিক্ষিকা গোপনে জেএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন চেয়েছিলেন?

বহুল আলোচিত ঝিনাইদহের শৈলকুপা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে এবার গোপনে প্রশ্ন সংগ্রহ চেষ্টার অভিযোগ উঠলো। চলতি জেএসসি পরীক্ষায় গত বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) জেএসসি বাংলা পরীক্ষা চলাকালে নিজ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে বিধি ভেঙে প্রশ্ন সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কেনো দায়িত্বেই ছিলেন না। এ ঘটনায় সহকারী কেন্দ্র সচিব বিপ্রবগদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রের সহকারী কেন্দ্র সচিব মো. মনিরুজ্জামান জানান, শৈলকুপা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দারের মেয়ে তাসনিমুল জান্নাত নিজ স্কুল কেন্দ্রে জেএসসি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা শুরু হলে প্রধান শিক্ষক দিলারা ইয়াসমিন তার নিজ অফিস কক্ষে প্রবেশ করেন। শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে তিনি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষে আসেন। এরপর পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রধান শিক্ষিকা পিয়ন মারফত একটি প্রশ্ন চেয়ে পাঠান। কিন্ত কেন্দ্র সচিব প্রশ্ন দিতে অসম্মতি জানান। এরপর ঘটনাটি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। ইউএনও লিখিত আকারে অভিযোগ দিতে বলেন। এ ঘটনায় কেন্ত্র সচিব লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান।

এদিকে শৈলকুপা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিন জোয়ার্দ্দার অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান, ঘটনা সত্য নয়।

শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উসমান গনি জানান, বৃহস্পতিবার জেএসসি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শৈলকুপা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন সংগ্রহ অভিযোগের তদন্ত চলছে।

এদিকে স্কুলের বিভিন্ন খাতের ১০ লাখ টাকা তছরুপের অভিযোগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অফিস থেকেও এই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে। সেই তদন্তে পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক তার দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তদন্ত কর্মকর্তার দপ্তর থেকে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষিকা দিলারা ইয়াসমিনের ফান্ড তছরুপের ২৪টি খাত উল্লেখ করা হয়। মাত্র এক বছর চাকরিতে যোগদান করে দিলারা স্কুলের বিভিন্ন খাতের ১০ লাখ টাকা তছরুপ করেন। সভাপতির সাক্ষর ছাড়াই জাল ভাউচার তৈরি করেন। স্কুল থেকে অতিরিক্ত বেতনের টাকা নেন।

কমিটির অনুমোদন ছাড়া অর্থ ব্যয় আবার কখনো সাধারণ তহবিল ব্যতিত বিদ্যালয়ের নামে কৌশলে নতুন একাউন্ট করে একক চেকে টাকা লেনদেন করছেন। কখনো বা বিল-ভাউচার জালিয়াতি, ফরম পুরন ও রেজিস্ট্রেশনের অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নীতিমালার বাইরে প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকার হ্যান্ডক্যাশ উত্তোলন, নির্ধারিত নোটবই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন। ৫০ শতাংশ হারে বেতন উত্তোলন, ছাত্রী ভর্তি, ফরম পুরন, জরিমানাসহ বিভিন্ন খাতের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ফেল করা ছাত্রীদের কাছ থেকে সাবজেক্ট প্রতি ২০০ টাকা আদায় করে পকেটস্থ করেছেন। পরিপত্র মোতাবেক ১০০% সরকারী বেতন পাওয়ার পরও স্কুল থেকে প্রতি মাসে ১৪ হাজার ৫০০ টাকার বেতন নিচ্ছেন অবৈধ ভাবে। প্রতিদিন তিনি স্কুল কামাই করা ছাত্রীদের কাছ থেকে ১০ টাকা হারে জরিমানা আদায় করতেন।

এছাড়া সম্প্রতি প্রধান শিক্ষিকার নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধান শিক্ষিকা ও সহকারী শিক্ষকরা একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় কয়েকটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছে। সবমিলিয়ে ঐতিহ‌্যবাহী শৈলকুপা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের চেইন অব কমাণ্ড ভেঙে পড়েছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা।

প্রধান শিক্ষিকার এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগৃহীত।

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহের গীতা দাসের চিকিৎসা বন্ধ টাকার অভাবে

‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু…’, ভূপেন হাজারিকা জীবনমুখী গানের অংশ এটি। মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে

ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী ছবিঘর সিনেমা হল বন্ধ হচ্ছে

ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ঝিনাইদহের ইতিহাসের সাথে ছবিঘর সিনেমা হলটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ ঐতিহ্যবাহী হলটি বন্ধ হয়ে