13/11/2018 , ঢাকা

ঝিনাইদহ পৌর মেয়র অবরুদ্ধ, গাড়ি-ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই!


প্রকাশিত:5:53 pm | August 2, 2018 | আপডেট:

জাতীয় সংসদে এক মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসে ফেঁসে গেছেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল কবির মিন্টু। তার গাড়ির (ঢাকা মেট্রো-ঠ, ১৬-০০৭৭) ড্রাইভারের লাইসেন্স নেই, ছিল না প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও। এজন্য পৌর মেয়রকেও অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) এ ঘটনা ঘটে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর…

এদিন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া সংসদে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করতে ও বের হতে পারেননি এমপি-মন্ত্রীরাও। সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ির বিরুদ্ধে করা হয়েছে মামলা। অবস্থা বেগতিক দেখে সংসদ থেকে বের হয়ে আবারও তাড়াতাড়ি ঘুরিয়ে সংসদে প্রবেশ করেছে গাড়ি।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেলে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সংসদ ভবন, আসাদগেট, মানিক মিয়া এভিনিউ, মনিপুরী পাড়া সরেজমিন ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। গাড়ির কাগজপত্র ছাড়া সংসদে ঢুকতে না পেরে বাতিল করা হয়েছে সংসদীয় কমিটির বৈঠকও।

এদিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ছিল। কিন্তু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের ড্রাইভারের কাগজপত্র ছিল না। এজন্য আসাদগেটে তার গাড়ি আটকে দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে বাধ্য হয়ে মন্ত্রী গাড়ি রেখে হেঁটে সংসদে প্রবেশ করেন। এই কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১) এর গাড়ির সব কিছু ঠিক থাকায় তিনি সংসদে প্রবেশ করতে পারেন। তবে কমিটির ১০ জন সদস্যের মধ্যে আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন (পটুয়াখালী-৩) আর কেউ সংসদে প্রবেশ করতে পারেননি। ছিলেন না মন্ত্রণালয়ের হর্তাকর্তারাও। তাই কমিটির বৈঠক বাতিল করা হয়।

জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, অনেকে বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি। তাই বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। আগামী বৈঠকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়েও আলোচনা হবে।

সংসদের অনেক কর্মকর্তাও কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি নিয়ে সংসদে যাতায়াত করতে পারেননি। তবে সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরার গাড়ির কাগজপত্র থাকায় ওই গাড়ি সংসদে ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

রেজাউল করিম হীরা পরে বলেন, ‘বিষয়টি ভালো। তবে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে না গেলেই হয়। অনেকের দেখলাম স্কুল কলেজের ইউনিফর্ম নেই। এরা আসলে কারা?’

সংসদ চত্বরে থাকা একাধিক গাড়ির ড্রাইভার বলেন, ‘স্যার (এমপি) ভেতরে আছেন। সকালে আন্দোলন শুরুর আগে তারা ঢুকছেন। এখন বের হতে চাচ্ছেন না। পরিস্থিতি দেখে বের হবেন।’

দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ঢাকা মেট্রো-চ ৫১-৬২৬৪ নম্বর গাড়িটি আটকে চালকের লাইসেন্স দেখতে চায় আদ-দ্বীন ও ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা। ড্রাইভার লাইসেন্স দেখাতে না পারায় গাড়িতে মার্কার দিয়ে ‘লাইসেন্স নাই, সরকারি গাড়িতে লাইসেন্স লাগে না’ লিখেছে শিক্ষার্থীরা।

একই সময় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ঢাকা মেট্রো-চ ৫৩-৫১৯৬ এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি গাড়ি আটকে চালকের লাইসেন্স না পেয়ে এতেও মার্কার দিয়ে ‘লাইসেন্স ছাড়া সরকারি গাড়ি রাস্তায়’ লিখে দেয় শিক্ষার্থীরা। এ সময় অর্ধশতাধিক গাড়ি আটকে দেয় তারা।

এছাড়াও উত্তরায় চালকের লাইসেন্স না থাকায় দু’টি বেসরকারি টেলিভিশনের তিনটি গাড়ির চাবি নিজেদের জিম্মায় নেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি আইন সবার জন্য সমান। কে মন্ত্রী, কে এমপি আর কে বড় কর্মকর্তা তা আমরা দেখতে চাই না।

এর আগে সোমবার বাংলামোটরে উল্টোপথে চলতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের গাড়ি। মন্ত্রীর সামনেই শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেয়- ‘আইন সবার জন্য সমান’।

লাইসেন্স দেখাতে না পারায় এমপি পঙ্কজ দেবনাথ অবরুদ্ধ: রাজধানীর শনিরআখড়ায় গাড়ি চালক ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে না পারায় সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথকে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় এমপির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তখন এমপিকে মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন কদমতলী থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মমিনুল ইসলাম রাজীব। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে এক পর্যায়ে তাকে বেদম মারধর করা হয়। পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও ইন্স্যুরেন্স আপডেট না থাকার অভিযোগে পুলিশ মামলা দায়ের করলে সাংসদের গাড়িটি ছেড়ে দেন শিক্ষাথীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত শনিরআখড়া দনিয়া স্কুলের সামনে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। পঙ্কজ দেবনাথ বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এমপিদ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১টার দিকে এমপি পঙ্কজের গাড়ি ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। ওই সময় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা তার গাড়ি থামান। তারা এমপির গাড়ির চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করেন। তবে গাড়ি চালক তার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে না পারায় শিক্ষার্থীরা এমপি পঙ্কজ দেবনাথের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে এবং আইনানুযায়ী তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এ সময় এমপি পঙ্কজ দেবনাথ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তার গাড়ির সব কাগজপত্রই সঠিকভাবে আছে বলে দাবি করেন। কিন্তু সেসব কাগজপত্র দেখাতে না পারলে পুলিশকে এ বিষয়ে মামলা দায়ের করতে বলেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করলে তা দেখে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এমপির গাড়ি অবরোধ করে রাখেন।

এক পর্যায়ে ডেমরা জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর এ কে এম মঞ্জুরুল আলম এমপি পঙ্কজ দেবনাথের গাড়ির ইনস্যুরেন্স পলিসি ও গাড়ি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার বিষয়ে মামলা দায়ের করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা এমপিকে ঘটনাস্থল থেকে যাওয়ার সুযোগ করে দেন।

প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে পঞ্চম দিনের মতো সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত মহাসড়কজুড়ে বিক্ষোভ করছেন অন্তত ২০টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ক্যামব্রিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা সিটি কলেজ, সিসিআর কলেজ, গোলাম মোস্তফা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নবারুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভে অংশ নেন।

লাইসেন্স নেই, গাড়ি রেখে যেতে বাধ্য হলেন পানিসম্পদমন্ত্রী: ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভের পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা আটকে দিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর গাড়ি। বৃহস্পতিবার ধানমণ্ডির ১৫ নম্বরে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এক মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে এক শিক্ষার্থীকে বলতে শোনা যায়, আমরা এখন ধানমণ্ডি ১৫-তে ইবনে সিনার সামনে, আমরা একটা গাড়ি ধরেছি, সেটা হচ্ছে মন্ত্রীর। গাড়ির চালকের কোনো লাইসেন্স নেই। আমরা মন্ত্রী স্যারের সঙ্গে কথা বলছি।

এ সময় পুলিশ শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, স্যার অ্যালাউ করল ক্যান? যে চালকের লাইসেন্স নেই, তাকে কেন গাড়ি চালাতে অনুমতি দিয়েছেন তিনি, আমরা স্যারের কাছে তা জানতে চাই।

এরপর মন্ত্রী সাদা রঙের গাড়িটি থেকে নেমে যান। এ সময়ে উল্লাস প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বলেন, এই তালি হবে, তালি হবে। শিক্ষার্থীরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, শাবাশ… শাবাশ…

মন্ত্রী গাড়ি থেকে বের হয়ে হাঁটা শুরু করলে শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে ওঠেন, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, ইউ ওয়ান্ট জাস্টিস।

ভিডিওতে দেখা যায়, এরপর মন্ত্রী কালো রঙের আরেকটি গাড়িতে উঠে নিজের গাড়িটি সেখানে ফেলে রেখে যান।

বাস চলাচলে বিরোধ, অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: চুয়াডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের যাত্রীবাহী বাস ধর্মঘট শুরু হয়েছে। এ কারণে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ পথে কোনো যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে যায়নি। এমনকি জেলার ওপর দিয়ে অন্য জেলার কোনো বাস চলতে দেওয়া হচ্ছে না।

মেহেরপুরের মুজিবনগর থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত রয়েল এক্সপ্রেসের নতুন বাস চলাচলকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহের সঙ্গে বিরোধ ও কাউন্টার বন্ধের প্রতিবাদে সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই ধর্মঘটের ডাক দেয়। তবে ঝিনাইদহ বাস মালিক সমিতি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা থেকে ১৩টি পথে বাস চলাচল করে। সেগুলো হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, যশোর, বরিশাল, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও রাজবাড়ী ।

আন্তজেলা বাসটার্মিনালে কথা হয় ঢাকাগামী যাত্রী একরামুল হকের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। জরুরি প্রয়োজনে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। বলেন, ঢাকাগামী বাস না থাকায় অটোরিকশায় ঝিনাইদহে গিয়ে বাসে উঠতে হবে।

জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক এ নাসির জোয়ার্দ্দার জানান, সংগঠনের সভাপতি রয়েল এক্সপ্রেসের মালিক মো. সালাউদ্দিন মেহেরপুরের মুজিবনগর থেকে পটুয়াখালী পথে চলাচলকারী যাত্রীদের জন্য অত্যাধুনিক দুটি যাত্রীবাহী বাস চালানোর উদ্যোগ নেন। মেহেরপুর থেকে পটুয়াখালী পর্যন্ত প্রতিটি জেলার পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অন্যান্য জেলায় সমস্যা না হলেও ঝিনাইদহের পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে হয়রানি করছেন। তাঁরা পটুয়াখালী পথে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি গত সোমবার রাতে ঢাকাগামী রয়েল এক্সপ্রেসের সব বাস ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গায় ফেরত পাঠান। এবং সেখানে রয়েল এক্সপ্রেসের টিকিট কাউন্টারে তালা ঝুলিয়ে দেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা বাস ট্রাক সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম জেনারেল ইসলাম বলেন, ঢাকা ও পটুয়াখালী পথে রয়েল এক্সপ্রেস বাসের স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ এবং চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ পথে ৬০ ট্রিপের অর্ধেক হিসাবে ৩০টি ট্রিপ হিস্যা না পাওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

ঝিনাইদহ জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু দাবি করেন, রয়েল এক্সপ্রেস চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি এবং সোমবার রাতেও বাস ঘুরিয়ে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহের মালিকেরা স্বাধীনতার পর থেকে ব্যবসা করছেন। রয়েল এক্সপ্রেসের নতুন বাস চলাচলে সময়সূচি নিয়ে আলোচনা করতে বলেছিলাম। কিন্তু পরিবহনটির মালিক তা না করে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন।’


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার অপু-সমির

হঠাৎ করেই ঝিনাইদহ-২ (সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সফিকুল ইসলাম অপুর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বর্তমান সংসদ সদস্য

নির্বাচন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ‘উদ্বেগে’র কথা জানালো বিএনপি

ক্ষমতাসীন জোটের সাথে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত সংলাপের ফলাফল এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকদের জানিয়েছে বিএনপি।

১২ কোটি টাকার মনোনয়নপত্র বিক্রি আওয়ামী লীগের

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অীওয়ামী লীগের চার হাজার ২৩টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।