27/05/2019 , ঢাকা

তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপে হাতাহাতি


প্রকাশিত: 27/05/2019 19:32:57| আপডেট:

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মসজিদে অবস্থান নিয়ে তাবলীগ জামাতের দু’গ্রুপে মধ্যে হাতাহাতি ও বেডিং আসবাবপত্র ফেলে দিয়ে মসজিদে তালা লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে উপজেলার বেতডোবা বায়তুল করিম কোর্ট জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় মুসল্লীরা জানান, বিশ্ব মারকাজ দিল্লি নিজামউদ্দিন (ছাদ) অনুসারী ও মাওলানা জুবায়ের হোসেন ওলামা পরিষদ অনুসারী দু’গ্রুপের মধ্যে মসজিদে অবস্থান করা নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে দু’গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও বেডিং আসবাবপত্র ফেলে দেয়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দুই গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনায় কালিহাতীতে উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে ছাদ গ্রুপের অনুসারীরা থানায় গোলঘরে অবস্থান নেয়।

বিশ্ব মারকাজ দিল্লি নিজামউদ্দিন ছাদ গ্রুপের অনুসারী হুমায়ন বাঙ্গাল জানান, মঙ্গলবার বিকালে বায়তুল করিম কোর্ট জামে মসজিদে প্রবেশ করার সময় দুষ্ট প্রকৃতির কয়েকজন বাঁধা দেয়। এসময় পুলিশ গিয়ে মসজিদে প্রবেশ করিয়ে আসে। বুধবার সকালে কয়েকজন লোক এসে আমাদের তাবলীগ জামাতে সাথীদের মারধর করে বেডিং ও আসবাবপত্র মসজিদ থেকে ফেলে দেয়।

মাওলানা জুবায়ের হোসেন অনুসারী ওলামা পরিষদের থানা সূরার সাথী মোখলেছুর রহমান মারধরের বিষয়ে অস্বীকার করে বলেন, ছাদ গ্রুপ মঙ্গলবার মসজিদে প্রবেশ করেন। পর্চায় কালিহাতী না থাকায় তাদের চলে যেতে বলা হয়। চলে যেতে অস্বীকার করায় তাদের বেডিং ও আসবাবপত্র বাহির করে দেয় স্থানীয় মুসল্লীরা।

কালিহাতী থানা ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, দু’গ্রুপে মসজিদে থাকা নিয়ে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ বলেন, ছাদ গ্রুপের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ থাকায় বুধবার দুপুরে দু’গ্রুপকে ডেকে শান্তির লক্ষে মীমাংসা করে দিয়ে বিশ্ব মারকাজ দিল্লি নিজামউদ্দিন (ছাদ) অনুসারীদের ওই মসজিদে থাকার জন্য বলা হয়েছে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে আত্মীয় হিসেবে বাসায় এসে শিশু অপহরণ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস জানান, থানায় জিডি হয়েছে। হয়তো ভয়ে পরিবারের লোকজন মামলা করেনি। তবুও তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করেছি।

পরকীয়ার ছবি ফেসবুকে, ছেলেকে নিয়ে খালে ঝাঁপ গৃহবধূর

প্রেমিকের সঙ্গে গৃহবধূর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর মুহূর্তেই সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর সংসারে কলহ শুরু

উপজাতি বলে বারবার অপমান করায় আত্মঘাতী চিকিৎসক

তার মায়ের দাবি, সিনিয়র চিকিৎসকেরা প্রায়ই পায়েলকে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করতেন। আর সেই কারণেই আত্মহত্যা করেছেন পায়েল। মৃত্যুর আগে কয়েক জনের নামও বলে গিয়েছিলেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন...

Top