20/06/2019 , ঢাকা

বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রেম, ঈদে বাসায় দাওয়াত দিয়ে ধর্ষণ


প্রকাশিত: 20/06/2019 11:00:53| আপডেট:

চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী। ঘটনার পর ধর্ষককে আটক করলেও রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে ধর্ষককে ছেড়ে দিয়ে ভিন্ন কথা বলছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, কাউকে আটক করা হয়নি। প্রেমিক-প্রেমিকার হট্টগোলের সময় ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। তখন প্রেমিকাকে রেখে কৌশলে পালিয়ে যায় প্রেমিক।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে প্রেমিক সানিসহ তার মা ও ভাইকে আসামি করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার তরুণী।

ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত রবিউল ইসলাম সানি মুন্সীগঞ্জের ফুলতলা এলাকার নূরুল হক বেপারীর ছেলে। সানি পোশাক কারখানার কর্মী। ধর্ষণের শিকার তরুণীর বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ছয় মাস আগে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় এক বিয়ের অনুষ্ঠানে রবিউল ইসলাম সানির সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। সেখানে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঈদ উপলক্ষে তরুণীকে দাওয়াত দেয় সানি। প্রেমিকের দাওয়াত পেয়ে গত শুক্রবার (৭ জুন) চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে আসেন তরুণী। পরে শহরের একটি বাড়িতে নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করে সানি।

ধর্ষণের পর তরুণীকে বাসে তুলে চট্টগ্রাম পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সানিকে ছেড়ে চট্টগ্রামে যেতে আপত্তি জানান তরুণী। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। তাদের বাগবিতণ্ডা দেখে আশপাশের লোকজন জড়ো হন। ওই সময় ঘটনাস্থলে এসে সানিকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর ভাষ্য, ‘গত শুক্রবার (৭ জুন) চট্টগ্রাম থেকে একটি বাসে সাইনবোর্ড এসে নামি। সাইনবোর্ড থেকে সানি আমাকে এক বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে ধর্ষণ করে সানি। ওই দিন রাতে জোর করে আমাকে চট্টগ্রামের গাড়িতে উঠিয়ে দিতে শহরের উকিলপাড়া শ্যামলী বাস কাউন্টারে নিয়ে যায় সে।’

বিয়ে করা ছাড়া আমি চট্টগ্রামে ফিরব না জানালে তর্কাতর্কি শুরু করে সানি। বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে আমার বাগবিতণ্ডা হয়। বাগবিতণ্ডা দেখে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। ওই সময় থানায় খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে সানি ও আমাকে আটক করে পুলিশ। কিন্তু পরে সানিকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

তরুণী বলেন, বিয়ের কথা বলে আমাকে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসে। পরে আমাকে ধর্ষণ করে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়। আমাদের সম্পর্কের বিষয়টি সানির মা ও ভাই এবং পরিবারের সবাই জানেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আসামি আটক করে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ কোনো আসামিকে আটক করেনি, ছেড়ে দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সানির বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে তরুণীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছি, কেন তদন্ত করা হয়নি: সোহেল তাজ

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমদ সোহেল তাজ বুধবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে এসে বলেছেন, আমরা সৌরভকে ফিরে পেতে চাই জীবিত এবং অক্ষত অবস্থায়। সেটাই আমাদের দাবি। আ

অজি বধের টোটকা বাতলে দিলেন মাশরাফি

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয়ের পর বিশ্বকাপ সেমি ফাইনালের পথ অনেকটাই মসৃণ করেছে লাল সবুজের দল। বৃহস্পতিবার ট্রেন্ট ব্রিজে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারলে সে পথ হয়ে উ

কেবল নারী শিক্ষকই নেবে ডাচ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংখ্যায় নারী-পুরুষ সমতা আনতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের অন্যতম সেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এইনদোভেন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (টিইউই)।

মন্তব্য লিখুন...

Top