21/01/2019 , ঢাকা

যশোরে মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু


প্রকাশিত: 21/01/2019 03:46:25| আপডেট:

যশোরের মণিরামপুরে বিষাক্ত মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- মণিরামপুর উপজেলার খড়িঞ্চা খেদাপাড়ার কল্পতরু সরকারের ছেলে পলাশ সরকার (৩৫) ও একই উপজেলার নলঘোনা এলাকার জীবন মণ্ডলের ছেলে পবিত্র মণ্ডল (২৮)।

মৃত যুবকদের পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে তারা অতিরিক্ত মদপান করেন। রাতেই তাদের অবস্থা গুরুতর হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মণিরামপুরে বিভিন্ন চেতনাশক ও স্পিরিট মিশিয়ে একটি চক্র মদ তৈরি করে। কোন ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ওগুলো চড়া মূল্যে বিক্রি করে চক্রটি। নিম্নমানের এসব বিষাক্ত মদপান করে এর আগেও একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মাজহারুল ইসলাম বলেন, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ করায় ওই ‍দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তবে এগুলোতে ‘পয়জন’ ছিলো কিনা তা ময়না তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, মদপানে দুইজনের মৃত্যুর খবর লোকমুখে শুনেছি, এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

ঝিনাইদহের গীতা দাসের চিকিৎসা বন্ধ টাকার অভাবে

‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু…’, ভূপেন হাজারিকা জীবনমুখী গানের অংশ এটি। মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করাই মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত, একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে।

চিকিৎসার অভাবে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ পার্শ্ববর্তী ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পে বসবাস করা গীতা দাস (৩৮) অর্থ ও সহানুভূতির জন্য তিন বছর ধরে দিনের পর দিন চোখের জল গড়িয়েছেন।

গীতা দাস জানান, ঠিকমতো হাঁটতে পারি না। হাঁটলেই ব্যথা করে। কোনো কাজ করতে পারি না। আমার ভাঙ্গা ডান পায়ে যে অপারেশন করে স্টিলের পাত ও স্ক্রু লাগানো। ডাক্তার বলেছিলেন, এক বছর পর পা থেকে এগুলো বের করতে হবে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস তিন বছর হয়ে গেল টাকার অভাবে পা থেকে এ স্টিলের পাত ও স্ক্রু আর খুলতে পারছি না। এগুলো খুলতে আবারো পায়ে অস্ত্র প্রচার করতে হবে। এতে প্রযোজন ৬০ হাজার টাকা।

রিক্সা চালক স্বামী বিপুল দাসের (৪৫) পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে কোনোমতে।

নিজের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে গীতা দাস বলেন, তিন বছর আগে দুর্ঘটনায় আমার ডান পা ভেঙে যায়। তখন সদর হাসপাতালে গেলে তারা ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। ডাক্তার বলেন, পায়ে অপারেশন করতে হবে। এতে খরচ হবে ৬০ হাজার টাকা। টাকার অভাবে ঢাকা থেকে ফিরে আসি। পরে ঝিনাইদহের একটি ক্লিনিকে (অর্থো-সার্জারী) ডা. নাজমুল হুদাকে দেখালে তিনিও অপারেশনের কথা বলেন। তখন গরু-ছাগল বিক্রি করে ও মানুষের আর্থিক সাহায্যে আমার ডান পায়ে অপারেশন করা হয়।

অপারেশনে পায়ে স্টিলের রড ও স্ক্রু লাগানো হয়। ডাক্তার বলেন, এক বছর পর এগুলো পা থেকে খুলতে হবে। কিন্তু তিন বছরেও পা থেকে এগুলো খুলতে পারিনি ৬০ হাজার টাকার জন্য। বর্তমানে আমার পা ফুলে যাচ্ছে প্রচণ্ড যন্ত্রনা হয়। রাতে ঘুমাতেও পারি না যন্ত্রণাতে।

সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন গীতা রানী। আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে যোগাযোগ: ০১৯৯৪-৫৫৪৩০৪ ((গীতা দাস)।

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

যশোরে পৌষকালী মেলায় ভক্তদের ঢল

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি সার্বজনীন কালী মন্দির। প্রায় চারশ বছরের প্রাচীন মন্দির। পৌষকালী পূজা ঘিরে

যশোরের কেউ থাকছেন নতুন মন্ত্রীসভায়?

একাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

যশোরে তারা বেশ আলোচনায়

একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও

মন্তব্য লিখুন...

Top