20/07/2019 , ঢাকা

যশোরে ৩ কনস্টেবলকে গণপিটুনি


প্রকাশিত: 20/07/2019 04:48:52| আপডেট:

যশোরের ঝিকরগাছায় ভুয়া পুলিশ সন্দেহে তিন কনস্টেবলসহ চারজনকে গণপিটুনি দিয়েছে গ্রামবাসী। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গণপিটুনির শিকাররা হলেন, তিন ডিবি কনস্টেবল মুরাদ হোসেন, শিমুল হোসেন ও মামুন আলী এবং প্রাইভেট কার চালক শাওন। আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, বৃহস্পতিবার রাতে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার মাটিকুমড়া গ্রামে এক মাদক বিক্রেতাকে ধরতে অভিযানে যায় গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। কিন্তু ডিবি পুলিশকে ভুয়া মনে করে গ্রামের লোকজন মাইকে ঘোষণা দিয়ে জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। গণপিটুনিতে আহত হন তিন ডিবি কনস্টেবল ও প্রাইভেট কার চালক।

পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

মঈনুল হক আরও জানান, আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটাতে কোনো চক্র পরিকল্পিতভাবে এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।

ঝিনাইদহের গীতা দাসের চিকিৎসা বন্ধ টাকার অভাবে

‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু…’, ভূপেন হাজারিকা জীবনমুখী গানের অংশ এটি। মানুষের বিপদের সময় পাশে থেকে সহযোগিতা করাই মানুষের ধর্ম হওয়া উচিত, একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে।

চিকিৎসার অভাবে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ পার্শ্ববর্তী ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পে বসবাস করা গীতা দাস (৩৮) অর্থ ও সহানুভূতির জন্য তিন বছর ধরে দিনের পর দিন চোখের জল গড়িয়েছেন।

গীতা দাস জানান, ঠিকমতো হাঁটতে পারি না। হাঁটলেই ব্যথা করে। কোনো কাজ করতে পারি না। আমার ভাঙ্গা ডান পায়ে যে অপারেশন করে স্টিলের পাত ও স্ক্রু লাগানো। ডাক্তার বলেছিলেন, এক বছর পর পা থেকে এগুলো বের করতে হবে। কিন্তু ভাগ্যের কি পরিহাস তিন বছর হয়ে গেল টাকার অভাবে পা থেকে এ স্টিলের পাত ও স্ক্রু আর খুলতে পারছি না। এগুলো খুলতে আবারো পায়ে অস্ত্র প্রচার করতে হবে। এতে প্রযোজন ৬০ হাজার টাকা।

রিক্সা চালক স্বামী বিপুল দাসের (৪৫) পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা সম্ভব না। যা আয় হয়, তা দিয়ে সংসার চলে কোনোমতে।

নিজের দুরাবস্থার কথা তুলে ধরে গীতা দাস বলেন, তিন বছর আগে দুর্ঘটনায় আমার ডান পা ভেঙে যায়। তখন সদর হাসপাতালে গেলে তারা ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠান। ডাক্তার বলেন, পায়ে অপারেশন করতে হবে। এতে খরচ হবে ৬০ হাজার টাকা। টাকার অভাবে ঢাকা থেকে ফিরে আসি। পরে ঝিনাইদহের একটি ক্লিনিকে (অর্থো-সার্জারী) ডা. নাজমুল হুদাকে দেখালে তিনিও অপারেশনের কথা বলেন। তখন গরু-ছাগল বিক্রি করে ও মানুষের আর্থিক সাহায্যে আমার ডান পায়ে অপারেশন করা হয়।

অপারেশনে পায়ে স্টিলের রড ও স্ক্রু লাগানো হয়। ডাক্তার বলেন, এক বছর পর এগুলো পা থেকে খুলতে হবে। কিন্তু তিন বছরেও পা থেকে এগুলো খুলতে পারিনি ৬০ হাজার টাকার জন্য। বর্তমানে আমার পা ফুলে যাচ্ছে প্রচণ্ড যন্ত্রনা হয়। রাতে ঘুমাতেও পারি না যন্ত্রণাতে।

সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন গীতা রানী। আর্থিক সহযোগিতা পাঠাতে যোগাযোগ: ০১৯৯৪-৫৫৪৩০৪ ((গীতা দাস)।

** নির্ভরযোগ্য খবর জানতে ও পেতে স্টার মেইলের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে রাখুন: Star Mail/Facebook


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

যশোরে অসুস্থ নারীর পেটে পুলিশের লাথি

রাতে সাদা পোশাকে দুই পুলিশ আমাদের বাসায় গিয়ে এক প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আসাদের স্ত্রী শ্রাবণী নামে এক নারীকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে আমাকে জিজ্ঞেস করে সে কোথায়।

ওসি মোয়াজ্জেম ঢাকায় গ্রেফতার

পরোয়ানা জারির ২০ দিন পর গ্রেফতার হলেন ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন। রোববার রাজধানীর শাহবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

যশোরে বোমা তৈরির সময় ফিঙে লিটনের ভাগ্নেসহ আহত ২

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জিতু ও শহিদুল সন্ত্রাসী প্রকৃতির। তারা নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত।

মন্তব্য লিখুন...

Top