20/08/2019 , ঢাকা

রিমান্ড শেষে কারাগারে ইটিভির সাংবাদিক সেকান্দার


প্রকাশিত: 20/08/2019 11:08:18| আপডেট:

নারী সহকর্মীর প্রতি যৌন নিপীড়নমূলক আচরণের মামলায় একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) প্রধান প্রতিবেদক এম এম সেকান্দার মিয়াকে (৩৪) রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। ঢাকার মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস বৃহস্পতিবার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে সেকান্দারকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার এসআই মবিন আহমেদ ভূঁইয়া। অপরদিকে সেকান্দারের পক্ষে প্রশান্ত কুমার কর্মকার, তুহিন হাওলাদারসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

একুশে টেলিভিশনের শিক্ষানবীশ এক নারী কর্মীর মামলার পর গত রোববার রাতে বনশ্রীর বাসা থেকে সেকান্দারকে (৩৪) আটক করে র‍্যাবের একটি দল। পরে তাকে হাতিরঝিল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, সেকান্দার দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করে আসছিলেন। গত ২৭ জানুয়ারি একটি ফাস্টফুডের দোকানে ডেকে তাকে জাপটে ধরে তার শরীরে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানি করেন। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে মেরে বস্তায় ভরে লাশ হাতিরঝিলে ফেলে দেবে বলেও হুমকি দেন। তাই ভয়ে মামলা দায়েরে বিলম্ব করেন তিনি।

ওই নারীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার টেলিভিশনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কথা বলতে গেলেও তিনি তাদের কাছে পাত্তা পাননি। একুশে টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর একটি অভিযোগ দিলে সেকান্দার বিষয়টি জেনে যান এবং তাকে (ওই নারীকে) রুমে ডেকে কুরুচিপূর্ণ ও বাজে মন্তব্য করেন।

এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার সেকান্দার মিয়াকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। তবে এ বিষয়ে সেকান্দারের স্ত্রী নিলুফার ইয়াসমীন সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন, ‘তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

সময় টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক জাকারিয়া মুক্তা মারা গেছেন

ময় টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক জাকারিয়া মুক্তা ভাই মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। শনিবার রাতে ব্রেন স্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আহত ১০

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়েছে। হামলাকারীরা বর্ষীয়ান সাংবাদিকদের কক্ষ থেকে টেনে-হেঁচড়ে বের করে কিল-চড়-ঘুষি মারতে থাকে।

সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে আটকের হুমকি পুলিশের

কনস্টেবল মমিন সাংবাদিকের ভিজিটিং কার্ড চান। পরে তাকে ভিজিটিং কার্ড দেওয়া হয়। তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার নাম মমিন।

মন্তব্য লিখুন...

Top