27/05/2019 , ঢাকা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা, যুবক গ্রেপ্তার


প্রকাশিত: 27/05/2019 19:08:58| আপডেট:

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগে করা মামলায় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় শাহিন হাওলাদার (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের মধুখালী বাঁধঘাট বাজার থেকে তাকে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে প্রতিবেশী শাহিন হাওলাদারকে আসামি করে একটি নালিশি অভিযোগ করেন। বিচারক তা আমলে নিয়ে ২৯ এপ্রিল রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গন্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করাসহ তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। সে অনুযায়ী বুধবার সকাল সাড়ে ৯ টায় রাঙ্গাবালী থানায় মামলাটি (মামলা নং-৯) রুজু করা হয়। ওইদিনই মামলার একমাত্র আসামি শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বাদীর মেয়ে বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নের তক্তাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। আসামি শাহিন দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে উত্যক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর রাতে কৌশলে মধুখালী গ্রামে বাদীর বসবাসরত ঘরে প্রবেশ করে তার মেয়েকে আসামি জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বিষয়টি আসামির বাবা-মাকে জানালে তারা বাদীর মেয়েকে পুত্রবধূ করার আশ্বাস দেন। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছিল। এতে বাদীর মেয়ে ৪ মাস ৯ দিনের অন্তঃসত্ত্বা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে ওই মেয়েকে বিয়ে না করে আসামি নিজ বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, আসামি শাহিনকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।


  
এ সম্পর্কিত আরও খবর...

ঝিনাইদহে আত্মীয় হিসেবে বাসায় এসে শিশু অপহরণ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস জানান, থানায় জিডি হয়েছে। হয়তো ভয়ে পরিবারের লোকজন মামলা করেনি। তবুও তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করেছি।

পরকীয়ার ছবি ফেসবুকে, ছেলেকে নিয়ে খালে ঝাঁপ গৃহবধূর

প্রেমিকের সঙ্গে গৃহবধূর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর মুহূর্তেই সেটা ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর সংসারে কলহ শুরু

উপজাতি বলে বারবার অপমান করায় আত্মঘাতী চিকিৎসক

তার মায়ের দাবি, সিনিয়র চিকিৎসকেরা প্রায়ই পায়েলকে জাতি বিদ্বেষ মূলক মন্তব্য করতেন। আর সেই কারণেই আত্মহত্যা করেছেন পায়েল। মৃত্যুর আগে কয়েক জনের নামও বলে গিয়েছিলেন তিনি।

মন্তব্য লিখুন...

Top