1. mahir1309@gmail.com : admin :
  2. subeditor@starmail24.com : subeditor@starmail24.com :
গুম ব্যক্তির স্ত্রীকে ধর্ষণ: ঘটনার প্রমাণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাতে - starmail24
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে ও দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহারের দাবি স্মারকলিপি প্রদান গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না মালয়েশিয়ায় কালিয়াচাপড়া প্রবাসীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নির্যাতিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেত্রী শাহীনুর বেগম তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা তারিকের আবেগঘন পোস্ট বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে আসতে পারেন মাশরাফি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ রোজায় টানা ৩৫ দিনের ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে পদ পেতে এমডির ওপর চড়াও হলেন ডিজিএম ফারুক




গুম ব্যক্তির স্ত্রীকে ধর্ষণ: ঘটনার প্রমাণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাতে

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

র‌্যাবের সাবেক কম্পানি কমান্ডার ও সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিনের বিরুদ্ধে গুম ব্যক্তিকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রমাণও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের হাতে এসেছে।

তার এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জিত পুলিশ ও আলেপের স্বজনরাও। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে আলেপের বাড়ি।

গতকাল বিকেলে আলেপের এক আত্মীয় কুড়িগ্রাম থেকে মোবাইল ফোনে বলেন, ‘এত দিন তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ আয়, গ্রেপ্তার বাণিজ্য ও নির্যাতনের কথা শুনেছি। কিন্তু রোজাদার নারীকে ধর্ষণের ঘটনা জানার পর থেকে এলাকার মানুষ স্তম্ভিত। এলাকার ছেলে হিসেবে পরিচয় দিতে এখন লজ্জা লাগে।’

গতকাল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘একজন আসামিকে গুম করে রাখার সময় তাঁর বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া স্ত্রীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে, আলেপের বিরুদ্ধে এমন তথ্য-প্রমাণ আমাদের হাতে এসেছে। আমরা বিষয়গুলো ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছি।’

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ সম্পর্কিত একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এসপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ফেসবুকে যখন বিষয়টা দেখলাম, তখন আমার হাত-পা কাঁপতে ছিল। রোজদার নারীকে রোজা ভাঙিয়ে ধর্ষণ করা কিভাবে সম্ভব!’




আরো পড়ুন