1. mahir1309@gmail.com : admin :
  2. subeditor@starmail24.com : subeditor@starmail24.com :
চীন ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে নতুন উপগ্রহ উৎক্ষেপণ - starmail24
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে ও দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহারের দাবি স্মারকলিপি প্রদান গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না মালয়েশিয়ায় কালিয়াচাপড়া প্রবাসীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নির্যাতিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেত্রী শাহীনুর বেগম তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা তারিকের আবেগঘন পোস্ট বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে আসতে পারেন মাশরাফি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ রোজায় টানা ৩৫ দিনের ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে পদ পেতে এমডির ওপর চড়াও হলেন ডিজিএম ফারুক




চীন ও ফ্রান্সের যৌথ উদ্যোগে নতুন উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪
Starmail24_france

চীন এবং ফ্রান্স একসঙ্গে একটি নতুন উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে যা মহাকাশে গামা রশ্মি বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করবে। এই উপগ্রহটির নাম স্পেস ভ্যারিয়েবল অবজেক্টস মনিটর এবং এটি চীন জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন এবং ফ্রান্সের ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্পেস স্টাডিজ এর যৌথ প্রচেষ্টার ফলাফল।

স্পেস ভ্যারিয়েবল অবজেক্টস মনিটর প্রকল্পটি ২০১৪ সালে শুরু হয়েছিল এবং এটি চীন এবং ফ্রান্সের মধ্যে দ্বিতীয় উপগ্রহ সম্পর্কিত সহযোগিতা। এর আগে, ২০১৮ সালে চীন-ফ্রান্স মহাসাগরীয় উপগ্রহ  উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। স্পেস ভ্যারিয়েবল অবজেক্টস মনিটর উপগ্রহটি মহাকাশের উচ্চ শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি, বিশেষ করে গামা রশ্মি বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

এই ৯৩০ কিলোগ্রামের উপগ্রহটিতে চারটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র রয়েছে: চীন দ্বারা সরবরাহিত গামা-রে বার্স্ট মনিটর এবং দৃশ্যমান টেলিস্কোপ, এবং ফ্রান্স দ্বারা সরবরাহিত ইক্লেয়ারস টেলিস্কোপ এবং মাইক্রোচ্যানেল এক্স-রে টেলিস্কোপ। এগুলো মিলিতভাবে গামা রশ্মি বিস্ফোরণের বিভিন্ন পর্যায় পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবে, যার মধ্যে সফট এক্স-রে থেকে উচ্চ শক্তির গামা রশ্মি এবং দৃশ্যমান আলো অন্তর্ভুক্ত।

স্পেস ভ্যারিয়েবল অবজেক্টস মনিটর উপগ্রহটি ২০২৪ সালের ২২ই জুন  চীনের সিচুয়ান প্রদেশের শিচাং স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে লং মার্চ ২সি রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় ।

চীন এবং ফ্রান্স উভয়ই এই মিশনের জন্য নিজেদের নিজস্ব সুবিধা এবং দক্ষতা কাজে লাগাবে। চীন উন্নত মহাকাশযান ডিজাইন ও নির্মাণে দক্ষ এবং বড় মহাকাশ প্রকল্পগুলো সফলভাবে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অপরদিকে, ফ্রান্সের বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক যন্ত্র তৈরি করার দক্ষতা রয়েছে।

স্পেস ভ্যারিয়েবল অবজেক্টস মনিটর প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে, চীন এবং ফ্রান্স মহাকাশ বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে আরও সহযোগিতার আশা করছে। এই ধরনের যৌথ উদ্যোগ মহাকাশ অনুসন্ধানে নতুন নতুন সম্ভাবনার দিক উন্মোচন করবে এবং মহাকাশ গবেষণায় নতুন উচ্চতা স্পর্শ করবে।

এই যৌথ প্রকল্পটি শুধু চীন ও ফ্রান্সের মধ্যে সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে না, বরং বৈশ্বিক মহাকাশ অনুসন্ধানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।




আরো পড়ুন