1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীর কাছ থেকে বিএনপির নেতার টাকা নেয়ার অভিযোগ - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীর কাছ থেকে বিএনপির নেতার টাকা নেয়ার অভিযোগ

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌরসভার আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলর প্রার্থীর কাছ থেকে বিএনপির দুই কাউন্সিলর প্রার্থীসহ চার নেতার টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর হচ্ছেন। এ ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় সান্তাহার পৌর বিএনপি তাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কারে জেলা কমিটির কাছে লিখিত সুপারিশ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এমপি ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট একেএম সাইফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাদের শোকজ করেছেন।

অভিযুক্ত চার নেতা হলেন- ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুই কাউন্সিলর প্রার্থী সান্তাহার পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহিদুল ইসলাম ও পৌর যুবদলের সদস্য মাহামুদুল আলম, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ এবং আদমদীঘি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহফুজুল হক।

সান্তাহার পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মজিবর রহমান ও যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- আগামী ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ইভিএম পদ্ধতিতে সান্তাহার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পৌর বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম ও পৌর যুবদল নেতা মাহামুদুল আলম দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

এখানে আওয়ামী লীগের একমাত্র প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস। বিএনপি মনোনীত দুই কাউন্সিলর প্রার্থী যুবদল নেতা মামুনুর রশিদ ও বিএনপি নেতা মাহফুজুল হকের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী কুদ্দুসের কাছে টাকা নেন। এ কারণে দুই প্রার্থী গত ২০ ডিসেম্বর তাদের মনোনয়ন জমা দেয়া থেকে বিরত থাকেন। ফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল কুদ্দুস সান্তাহার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে গত ২১ ডিসেম্বর সান্তাহার পৌর বিএনপির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই সভায় সর্বসম্মতিতে উল্লিখিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থীসহ চার নেতাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সুপারিশসহ চিঠি জেলা বিএনপির নেতাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, দুই কাউন্সিলর প্রার্থীসহ চার নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। সঠিক জবাব দিতে না পারলে তাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।




আরো পড়ুন