1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
৪০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ বলে গরুর মাংসের বদলে ঘোড়া ও ক্যাঙ্গারুর মাংস বিক্রি! - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




৪০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ বলে গরুর মাংসের বদলে ঘোড়া ও ক্যাঙ্গারুর মাংস বিক্রি!

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

গত ৪০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ বলে গরুর মাংসের বদলে ঘোড়া ও ক্যাঙ্গারুর মাংস বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে তাদের এই প্রতারনার চিত্র তুলে ধরেছে মালয়েশিয়া ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউ স্ট্রাটিস টাইমস। এই ঘটনায় মালয়েশিয়া জুড়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চক্রটি কানাডা, কলম্বিয়া, ইউক্রেন, উরুগুয়ে, স্পেন এবং মেক্সিকোর মতো দেশ থেকে মাংস আমদানি করে। যেসব প্রতিষ্ঠান এই মাংস পাঠায় তাদের কারোরই এই সংক্রান্ত অনুমোদন নেই। তারা হালাল প্রত্যয়িত কসাইখানা ও উৎপাদনকারীদের থেকে ৫০ শতাংশ কম দামে মাংস বিক্রি করে থাকে। মালয়েশিয়ায় ‘হালাল’ প্রশংসাপত্র দেয় ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট মালয়েশিয়া (জেএকেআইএম) এবং ভেটেরিনারি সার্ভিসেস বিভাগ (ডিভিএস)।

বিষয়টি তারাও উপেক্ষা করে এসেছে। এসব মাংস হালাল সার্টিফিকেট পাওয়া মাংসের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করা হয়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, সেখানে হালাল বলে গরুর মাংসের সাথে মিশিয়ে ক্যাঙ্গারুর ও ঘোড়ার মাংসও বিক্রি করা হচ্ছিল। আবার তারা যে গরুর মাংস আমদানি করত তা নিম্নমানের এবং প্রায়শই অসুস্থ গরুর হওয়ায় কম দামে পাওয়া যেত।

নিউ স্ট্রাটিস টাইমস জানিয়েছে, দুর্নীতিগ্রস্থ সরকারী কর্মকর্তারা এসব বন্দর থেকে এসব মাংস ছাড় দিতে ৩৬ থেকে ৭৩৮ ডলার ঘুষ নিতো। গ্রাউন্ডে অফিসারদের দেয়া তথ্যমতে, প্রতিটি কন্টেইনার ছাড় করতে ৩৬ থেকে ১২৩ মার্কিন ডলার দিতে হতো। কিছু ক্ষেত্রে অফিসারদের জন্য নারীদেরকেও পাঠানো হতো। শুল্ক ফাঁকি এবং হালাল-প্রশংসাপত্র পেতে জড়িত ব্যয়গুলো এড়ানোর মাধ্যমে চক্রটি বড় অংকের মুনাফা করতো। তাদের এই কার্যক্রম গত ৪০ বছর ধরে চলে আসছে।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে মালয়েশিয়ার কোয়ারেন্টিন ও পরিদর্শন পরিষেবা বিভাগ (এমএকিউআইএস), মালয়েশিয়ার শুল্ক বিভাগ এবং বন্দর পুলিশকে মালয়েশিয়ার বন্দরে প্রবেশকারী পণ্যগুলো ভোক্তাদের কাছে না যাওয়ার আগে পর্যবেক্ষণ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কুয়ালালামপুরের মাংস ব্যবসায়ী ও হকার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের সদস্যদেকে অস্থায়ীভাবে গরুর মাংস ভিত্তিক পণ্য বিক্রি করা বন্ধ রাখতে বলেছে। সূত্র: ম্যাশাবল এশিয়া।

 




আরো পড়ুন