1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
করোনায় শয্যাশায়ী মা তার মেয়েকে শেষ বারের মত বলতে চাই “ভালোবাসি” - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




করোনায় শয্যাশায়ী মা তার মেয়েকে শেষ বারের মত বলতে চাই “ভালোবাসি”

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১

করোনায় কাতর শয্যাশায়ী ৭৬ বছর বয়সী মা তার মুখোশ (মাস্ক) সরিয়ে ফেলতে বলেছেন, যাতে নিজের মেয়েকে শেষ বারের মত বলতে পারেন, তিনি চূড়ান্তভাবে তাকে ভালোবাসেন। এই হৃদয় বিদারক মুহুর্তটি লিসেস্টার শায়ারে একজন কোভিড-জর্জরিত মায়ের।

মারিয়া রিকো (৭৬) ছিলেন লিসেস্টার রয়েল ইনফিরমারির কোভিড ওয়ার্ডে। ঠিক পাশের বিছানায় ছিলেন তার মেয়ে অ্যানাবেল শর্মা (৪৯)। মৃত্যুর পথযাত্রী মারিয়া হাসপাতালের বেডে মাস্ক ও অন্যান্য যন্ত্রাদিতে আবদ্ধ থাকায় কথা বলতে পারছেন না। তবে বুঝতে পারছেন তার সময় ফুরিয়ে আসছে। পাশেই কাতরাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত তার মেয়ে অ্যানাবেল।

চিকিৎসার নিবিড় যত্নে ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকা মা ইশারায় চিকিৎসককে তার মাস্ক খুলে দিতে অনুরোধ জানান। দ্বন্দ্বে পড়ে যান চিকিৎসক। এরই মাঝে ডান দিকের বেডে হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। এপাশ থেকে তার মেয়েও হাত বাড়িয়ে দেন মায়ের দিকে। জড়িয়ে ধরেন পরস্পরে। অ্যানাবেল শর্মাকে শেষ বারের মত স্পর্শ করেন তার মা। কে জানতো এটাই ছিল মায়ের শেষ স্পর্শ। জীবনে শেষ বারে মমতাময়ী মায়ের ছোঁয়া।

শুধু কী ছুঁয়ে দেখা! মারিয়া মেয়ের দিকে চেয়ে স্বজোরে বলছেন, আমি তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি। ভীষণ..। এরপরই মারিয়ার অবস্থা আরও অবনতি হয়। পরদিনই মারা যান তিনি। মারিয়ার ১২ বছর বয়সী ছেলে সেপ্টেম্বরে স্কুল থেকে ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে বাসায় ফিরে। তার বেগ বাছাই করার পরে অ্যানাবেলের পুরো পরিবার, তার স্বামী ভরত ও অন্য ছেলে জ্যাকব সকলেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

অক্টোবর মাসে মারিয়া এবং অ্যানাবেল দু’জনকেই লিসেস্টার রয়েল ইনফিরমারিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং পাশাপাশি বেডে অক্সিজেনে রাখা হয়েছিল। ১লা নভেম্বর মারিয়া মারা যান। এখন অ্যানাবেল অন্যকে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করে বলছেন, তারা যদি নিয়ম না মানেন তবে তারা পরিবারের সদস্যদের হারাতে পারেন।

ক্ষুদ্র আকারের একটি অণু-জীবাণুর আঘাতে ধরাশায়ী গোটা বিশ্ব। প্রতিনিয়ত করোনা ভাইরাসের নির্মম আঘাতে মৃত্যুপুরিতে পরিণত হচ্ছে দেশ-দুনিয়া। কোভিড-১৯ প্রতি মুহূর্তে কেড়ে নিচ্ছে শত শত মানুষের জীবন। সর্বত্র সৃষ্টি হয়েছে ভীষন আতঙ্কের। অনেক হৃদয় বিদারক ঘটনার।

অ্যানাবেল আজ বিবিসির গুড মর্নিং বৃটেনে হাজির হয়ে হোস্ট পিয়ার্স মরগান এবং সুসান্না রিডকে তার মায়ের মৃত্যুর মূহুর্ত বর্ণণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তখন আমি খুবই বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলাম। অ্যানাবেল তার মায়ের সাথে হাত ধরা হৃদয় বিদারক সেই ছবিটি যখন মিডিয়ার সাথে শেয়ার করেন, তখন ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। হৃদয় ছুঁয়েছে নেট দুনিয়ায়।




আরো পড়ুন