1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
পাইকগাছায় আয়া পদে দশ লাখ টাকায় নিয়োগের অভিযোগ, ৮ জনের পরীক্ষা বর্জন - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




পাইকগাছায় আয়া পদে দশ লাখ টাকায় নিয়োগের অভিযোগ, ৮ জনের পরীক্ষা বর্জন

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১

পাইকগাছায় এক মাধ্যমিক স্কুলে আয়া পদে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরীক্ষার আগেই বিষয়টি ফাঁস হওয়ায় ১২ পরীক্ষার্থী মধ্যে ৮ জন প্রার্থী পরীক্ষা বর্জন করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সোলাদানা ইউপির দক্ষিণ কাইনমূখীর আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আয়া পদের নিয়োগে।

জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারী সোমবার সকালে আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের আয়া পদে নিয়োগের জন্য পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ১২ জন নিয়োগ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষা দেন মাত্র ৪ জন। বাকি ৮ জন পরীক্ষা ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মিনাক্ষী রায় নামে একজন কে নিয়োগ চুড়ান্ত হওয়ার কথা জানতে পেরে নিয়োগ পরীক্ষা বর্জন করে।

নিয়োগ পরীক্ষা বর্জনকারী ৮ জন সকলের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্র নাথ রায় সভাপতি ব্রজেন্দ্র নাথকে ম্যানেজ করে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে মিনাক্ষী রায় কে নিয়োগ দিয়েছেন। তার মধ্যো নিয়োগ পরীক্ষার্থী সতী রানী বলেন, প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্র নাথ রায় আমার সাথে নয় লক্ষ টাকায় নিয়োগ চুড়ান্ত হয় কিন্তু তিনি একই স্কুলের মনোষা মান্টারের বৌমা অনার্স পড়ুয়া মিনাক্ষী কে দশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ চুড়ান্ত হওয়ার কথা জানতে পেরে আমরা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে বর্জন করি।

কাকুলী রানী মন্ডল নামে আরো একজন নিয়োগ পরীক্ষার্থী বলেন, প্রধান শিক্ষক আয়া পদে নিয়োগের জন্য তার কাছেও দশ লক্ষ টাকা দাবী করে কিন্তু তিনি সাত লক্ষ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি আরো বলেন, আমরা জনি মোট ১০ জন প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষা দিবে। কিন্তু আমরা যখন জানতে পারলাম যে মিনাক্ষী নামে একজনকে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি চুড়ান্ত হয়েছে তখন আমরা ৮ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত নেই। পরীক্ষা বর্জনের খবর জানতে পেরে প্রধান শিক্ষক নতুন করে ব্যাক ডেটে দুজনের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। ফলে মোট ৪ জন পরীক্ষার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান শিক্ষক হরেন্দ্র নাথ রায় আয়া পদে নিয়োগের ব্যাপারে বলেন, আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ৪ জন অংশগ্রহণ করলেও বাকিরা আসেনি। কোন টাকার বিনিময়ে আয়া পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি।

স্কুলের সভাপতি ব্রজেন্দ্র নাথ বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কোন টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি।




আরো পড়ুন