1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
সংসদে বিএনপির ফারহানার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর একাধিকবার বাহাস - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




সংসদে বিএনপির ফারহানার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর একাধিকবার বাহাস

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১

সংসদে বিল পাসের আলোচনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির একাধিকবার বাহাস হয়। জনমত যাচাইয়ের আলোচনার এক পর্যায়ে রুমিন ফারহানা বলেন, দেশের শিক্ষার মান একেবারেই তলানিতে। লকডাউনে সবকিছুই চলেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলো না কেন। সরকারের এই ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল দেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

পরে সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় রুমিন বলেন, ২০২০ সালের গ্লোবাল নলেজ ইনডেক্স অনুসারে ১৩৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১২তম। মানের দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ সর্বনিম্ন। অটোপাস যুক্ত হলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা সহজে অনুমেয়।

এরপর তার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যাদের সরকারের সময় শিক্ষার্থীদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছিল। শিক্ষার হার কমে গিয়েছিল সেই দলের সদস্য এখন শিক্ষার মান নিয়ে মায়াকান্না করেন।

পরে রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি তার বক্তব্যে গবেষণার বিষয়ে উল্লেখ করেছিলেন। দীর্ঘ সময়ে শিক্ষার মানের উন্নতি হয়নি। ১৫ বছর আগে কবে কী হয়েছে সেদিকে নজর না দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী যদি নিজের অবস্থানের দিকে নজর দিতেন তাহলে ভালো হত।

এই বক্তব্যের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার মান বুঝতে যেটুকু শিক্ষার প্রয়োজন হয় একজন মাধ্যমিক পেরুতে ব্যর্থ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তা সম্ভব নয়। এ কারণে হয়ত বিএনপির আমলে মানের দিকে হয়ত নজর দেওয়া যায়নি। এখন তার দলের যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তিনিও বারবার বহিষ্কৃত হয়েছেন। এই ইতিহাস নিয়ে শিক্ষার মানের দিকে নজর দেওয়া কঠিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী, তার স্বামী আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিজ্ঞানী। সন্তানেরা দেশে-বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত। সেখান থেকেও তারা মানের দিকে নজর পান।

পরে আবার আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে বিরোধী দলের কোনও সদস্যের তোলা বিষয়ের জবাব না থাকলে যদি ব্যক্তিগত আক্রমণের আশ্রয় নিতে হয়, সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রতি মিনিটে সংসদ চালাতে ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তারা আশা করেন মন্ত্রীরা গঠনমূলক জবাব দেবেন।

এক পর্যায়ে বিলের আলোচনায় বিএনপির আরেক সাংসদ হারুনুর রশীদ বলেন, বিলে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা হচ্ছে, তোষামোদি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। কাকে খুশি করার জন্য এসব বলা হচ্ছে। যারা সংসদে নেই তাদের নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করা উচিত।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, তোষামদ আর সত্য প্রকাশ এক নয়। কৃতিত্ব আছে তার স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

হারুনুর রশীদ আরো বলেন, আজ আমরা আইন পাস করে অটো পাশ দিয়ে দিলাম। এ সিদ্ধান্তের মাশুল দিবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। অটো পাশে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী। আমাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষা থেকে ছিটকে পড়েছে। আমরা যদি পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করে অন্ততপক্ষে পরীক্ষার মাধ্যমে একটা ব্যবস্থা করতে পারতাম, তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েদের অন্তত পক্ষে বাড়িতে টেবিলে বসানোর ব্যবস্থা করতে পারতাম।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত থাকলেও কোভিড-১৯ এর কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই একই অবস্থা। আমরা যাদের উন্নত বিশ্ব বলি, আমরা যাদেরকে অনেক সময় ফলো করার চেষ্টা করি, সে সব জায়গাতেও কিন্তু একই পদ্ধতিতে অটো পাসের ফলাফল দেয়া হয়েছে। আমরা হঠাৎ করে কোনো ধরণের চিন্তাভাবনা ছাড়া এ সিদ্ধান্ত নেইনি। এতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, মেধাবীদের একটা ধারাবাহিকতা থাকে। আমরা পূর্বের দুটি পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি এবং জেএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে ফলাফল দেব। কারণ যারা মেধাবী তারা কিন্তু এই দুটি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে। তারা তাদের মেধার স্বাক্ষর রেখে এসেছে। কাজেই শুধু মেধাবীরা কেন, কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।




আরো পড়ুন