1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস, বাকিদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস, বাকিদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১

করোনা মহামারির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়ার কথা বলা হলেও আপাতত সপ্তাহে একদিন ক্লাস হবে। শিক্ষার্থীরা পুরো সপ্তাহের পড়া নিয়ে যাবে। পরের সপ্তাহে আবার এক দিন আসবে। তবে, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে। রবিবার জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের আলোচনায় সাংসদদের বক্তব্যের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ তথ্য জানান।

দীপু মনি বলেছেন, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক। শ্রেণিকক্ষে তাদের গাদাগাদি করে বসতে হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসানো সম্ভব হবে না। সে ক্ষেত্রে সব শ্রেণির শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনার সুযোগ থাকবে না।

‘যদি ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়, তাহলে প্রাথমিকভাবে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়মিত ক্লাস হবে। অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে এক দিন করে ক্লাসে আসবে।’

চলতি বছরের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হতে পারে বলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আগেই আভাস দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রস্তুতি নিতে বলেছি। এরপর জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শ নিয়ে ঘোষণা করব কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলব।

এ বছর যারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী, তারা এক বছর সরাসরি ক্লাস করতে পারেনি, অনলাইন ও টিভিতে অনেকে ক্লাস করেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কিছু শিক্ষার্থী একেবারেই ক্লাস করেনি। এ বছরের জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায়, তাহলে পরে কয়েক মাস সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ওপর পাঠদান শেষে পরীক্ষা নেয়া যাবে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গত বছর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। কওমি মাদ্রাসা বাদে অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। সরকার গত ২৯ মার্চ থেকে মাধ্যমিকের এবং ৭ এপ্রিল থেকে প্রাথমিকের রেকর্ড করা ক্লাস সংসদ টেলিভিশনে প্রচার করছে।

করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। এ গাইডলাইন অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিকল্পনা করা হয়েছে প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার।




আরো পড়ুন