1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : খাদ্যমন্ত্রী | starmail24
শিরোনাম :
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর আজ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা এতিম মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ ও পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টা, নামমাত্র টাকায় ইউপি চেয়ারম্যানের রফা! ওভার ইনভয়েসে বছরে ৬৪ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার : অনুসন্ধানে দুদক ‘সুখবর হলো, সিঙ্গাপুর ১০ হাজার ও রুমানিয়া ২ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক নেবে’ ঐক্য বদ্ধভাবে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান মালয়েশিয়া বিএনপির চীনে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত জুতা পায়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আল-জাজিরার প্রতিবেদন ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সরিয়ে নেবে এলাকাবাসীর বাধা : ১০ মিনিটে শেষ হল সমাবেশ




চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : খাদ্যমন্ত্রী

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবনের বিজয় একাত্তর হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ চাল খেতে চাইলে লাল চাল খেতে হবে। চকচক করলেই সোনা হয় না, এটা বোধ হয় আমরা ভুলে গেছি। চকচক চাল খেতেই আমরা পছন্দ করি। আর ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নিয়ে কারসাজির আশ্রয় নেয়। তারা বিভিন্ন জাতের চাল কেটে-ছেঁটে এসব চাল প্রস্তুত করে। চাল যত বেশি পলিশ করা হয় দামও তত বেশি হয়, সেটা প্যাকেটজাত করলে দাম আরো বেশি হয়। চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করতে হবে। মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, এটা ব্র্যান্ডের নাম। মিলাররা বিভিন্ন জাতের ধান ছাঁটাই করে এসব ব্র্যান্ডের চাল বাজারজাত করছে।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, মিনিকেট চালের বিষয়ে সার্ভে করতে আমাদের একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছিলো, সেই রিপোর্টটি আমরা হাতে পেয়েছি। মিনিকেট আসলে একটি ব্র্যান্ডের নাম। পলিশ, ফাইন পলিশ, মিডিয়াম পলিশের মাধ্যমে মিলাররা এই ব্র্যান্ডের চাল তৈরি করে বাজারজাত করে।

মন্ত্রী বলেন, এটি চাইলেই বন্ধ করা সম্ভব নয়। মিলাররা কৃষকদের কাছ থেকে একই জাতের ধান পায় না। কৃষকরা একই বস্তায় বিভিন্ন জাতের ধান পুরে মিলারদের সরবরাহ করেন। সেখানে জাতের স্বকীয়তা থাকে না। এরপর মিলাররা তারা পলিশ করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বাজারজাত করে। তাই এটি চাইলেই বন্ধ করা যাবে না, তবে ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১৮টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ এবং মোট ৪৮৬টি সংস্থা কাজ করছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তাদের সমন্বয়ের কাজ করছে।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করা হচ্ছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন আমাদের তিনটি টিম বিভিন্ন এলাকায় মনিটরিংয়ে বের হয়, ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এই পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ৯ হাজার ৪৭৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। অভিযানে কারো ত্রুটি পাওয়া গেলে জরিমানাসহ বিভিন্ন শর্ত পূরণে নির্ধারিত সময় বেঁধে দেয়া হচ্ছে।




আরো পড়ুন