1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালিত

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

মালয়েশিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (৭ মার্চ) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধের কারণে অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে লাইভ প্রচার করে প্রবাসীদের অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

আলোচনা সভার সূচনাতে কুরআন তিলাওয়াতের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি বড় পর্দায় ভিডিয়োচিত্রের মাধ্যমে দেখানো হয় এবং ৭ মার্চের উপর একে একে পড়ে শোনানো হয় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী।

রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খোরশেদ আলম খাস্তগির ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম।

দূতাবাসের প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান রুহুল আমিনের প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় আলোচনা সভায় রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারোয়ার তার বক্তব্যে বলেন, ৭ মার্চ বাঙালি-জাতির মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন।

১৯৭১ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকন্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন, এর মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক।

তিনি আরও বলেন, সরকার এ দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার অনন্য সাধারণ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে অর্জন করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ তালিকায় স্বীকৃতি দিয়ে ইউনেস্কো নিজেই গর্বিত হয়েছে। বাঙালি হিসেবে এটি আমাদের বড় অর্জন। ঐতিহাসিক এ ভাষণের কারণে বিশ্বখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে পয়েট অব পলিটিকস হিসেবে অভিহিত করে।

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। মহান এ নেতার সেই স্বপ্ন পূরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ জন্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ ঘোষণা করেছেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সন্ধিক্ষণে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমি দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে নিজ-নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

আলোচনা সভায় দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমোডর মোস্তাক আহমেদ, শ্রম শাখার কাউন্সিলর (২) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল, কাউন্সিলর মাসুদ হোসাইন, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার কাউন্সিলর মো. মশিউর রহমান তালুকদার, বাণিজ্য শাখার কাউন্সিলর মো. রাজিবুল আহসান, দূতাবাসের কাউন্সিলর তাহমিনা ইয়াছমিন, শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. ফরিদ আহমদসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




আরো পড়ুন