1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে হেফাজতের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৫ - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে হেফাজতের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৫

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদরাসা ছাত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশ-বিজিবির ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।

জানা যায়, শনিবার বিকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন্দনপুরে মহাসড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ করে বিপুল সংখ্যক মানুষ। মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এতে কিছু স্থানীয় মানুষও অংশ নেয়। এসময় পুলিশ-বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে সেখানে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে ব্যাপক সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রানা নুরুস শামস সাংবাদিকদের জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতালে আনা পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন- নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানদার জুরু আলম, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া ও বুধলের আলী আহমদের ছেলে প্লাম্বার শ্রমিক কাউসার ও জোবায়ের। আর আহতদের সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে, বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টিএ রোড দিয়ে আওয়ামীলীগের একটি র‌্যালী জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার এলাকা অতিক্রম করার সময় পেছন দিক থেকে মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্রকে ধাওয়া করে। এসময় ছাত্ররাও পাল্টা ধাওয়া দেয়। তখন সেখানে ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটানো হয়।

এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর কান্দিপাড়া মসজিদ থেকে মাদ্রাসা রক্ষার জন্য মসজিদের মাইক থেকে ঘোষণা দেয়া হলে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ে। তখন ছাত্রলীগ কর্মীরা পিছু হটে। পওে ক্ষুব্ধ লোকজন প্রধান সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। এসময় শহরের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

অন্যদিকে সরাইল উপজেলায় স্থানীয়দের বের করা বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ক্যাম্পে থাকা ২৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। পরে পুলিশ অন্তত ৪০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১৫ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরাইল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, বিক্ষোভ মিছিল থেকে হঠাৎ করে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়।




আরো পড়ুন