1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
নোয়াখালীর ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন - starmail24
শিরোনাম :
সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির সরকারকে বিপদে ফেলতে পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হয়েছে: ইউনাইটেড ইসলামী পার্টি লাইফাই : আলোর গতিতে আলোকিত হবে বিশ্ব সব ধর্মের মানুষ সমভাবে উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাশিয়ায় করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু শিগগিরই ১২-১৭ বছর বয়সী ত্রিশ লাখ শিশুকে ফাইজারের টিকা দেয়া হবে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে গোল করলেন মেসি পাবনা সাথিয়া ধুলাউড়িতে খাদ্য বান্ধব চাউল বিতারণে অনিয়মের অভিযোগ মালয়েশিয়ায় রেডলাইভ আয়োজন করতে যাচ্ছে, রেড লাইভ জ্যাশ ফ্যাশন এশিয়া অ্যাওয়ার্ড শিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে পিটিশন হস্তান্তর




নোয়াখালীর ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (০৪ অক্টোবর) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জয়নাল আবেদীন মামলার রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর মামুনুর রশীদ লাভলু। এর আগে দুই আসামিকে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন দেলু ও তার সহযোগী মোহাম্মদ আলী প্রকাশ আবুল কালাম।

২০২০ সালের ২ সেপ্টেম্বর ওই নারীকে তার ঘরে ঢুকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন করে দেলোয়ার হোসেন ও তার বাহিনী। নির্যাতনকারীরা ওই ঘটনা মোবাইলে ধারণ করে, যা ৩২ দিন পর ৪ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে ওই নারী ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ও ২০২০ সালের ৭ এপ্রিল দুই দফায় তাকে ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে দেলোয়ার ও কালামের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর মামলা করেন। এ ছাড়া বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফিসহ আরও দুটি মামলা করেন তিনি।

গত বছরের ৬ অক্টোবর করা মামলায় চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুই আসামি দেলোয়ার হোসেন দেলু ও তার সহযোগী মোহাম্মদ আলী ওরফে আবুল কালামের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ১৩ কার্যদিবসে বাদীপক্ষের ১২ জন ও আসামিপক্ষের তিন জনসহ মোট ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়। এর আগে ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে অভিযোগপত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ স্থানান্তর করা হয়।




আরো পড়ুন