1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
নির্বাচনী সহিংসতা: শৈলকুপায় আরও একজনের মৃত্যু - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




নির্বাচনী সহিংসতা: শৈলকুপায় আরও একজনের মৃত্যু

স্টার মেইল, ঝিনাইদহ
  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আরো একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল রহিম নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

আবদুল রহিমের (৫০) বাড়ি উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রামে। তিনি কাতলাগাড়ী বাজারে নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন এবং নৌকার প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শৈলকুপা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৩ ডিসেম্বর আব্দুর রহিম কাতলাগাড়ী বাজারে যাচ্ছিলেন। পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমমে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কুষ্টিয়া হাসপাতালে রহিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জুলফিকার কাইছার টিপুর সমর্থকদের হামলায় রহিম গুরুতর আহত হয়েছিলেন বলে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুনের দাবি।

এ ব্যাপারে টিপুর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, নির্বাচনী তফশিল ঘোষণার পর সারুটিয়া ইউনিয়নে একের পর এক নির্বাচনী সহিংসতা ঘটছে। সহিংসতার জেরে ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি পর পর দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

৩১ ডিসেম্বর কৃষ্ণনগর আবাসনের বাসিন্দা হারান বিশ্বাসকে হত্যা করা হয়। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন ভাটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে জসিম উদ্দিন (৪০)। এরপর ৬ জানুয়ারি মারা যান কীর্তিনগর গ্রামের নিবারণ সরকারের ছেলে অখিল সরকার। তিনি হামলায় আহত হয়ে পাঁচদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহত সবাইকে নিজের সমর্থক বলে দাবি করেছেন মাহমুদুল হাসান। সহিংসতার মধ্যেই গত ৫ জানুয়ারি সারুটিয়া ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি জয়ী হয়েছেন।




আরো পড়ুন