1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না - starmail24
শিরোনাম :
মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নিয়ে ফিরলেন আরজে রিজন মালয়েশিয়ায় এপ্রিলের শেষ সাপ্তাহ থেকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার বিদেশি কর্মী প্রবেশ করতে পারে ! ইফতার আয়োজনে ‘সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য’ মালয়েশিয়া আওয়ামীলীগের ৮ বছরের অন্তঃদ্বন্ধের সমাধান গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারীদের অসন্তোষ, নোবেল বিজয়ী ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুসের নিরাবতা দেশ গড়ার বাস্তবায়নে জনগণের পাশে থেকে কাজ করুন, প্রশাসন ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের আইনসভা ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন মুখ দেখানোতে আপত্তি, ছবির বদলে বায়োমেট্রিকের নিয়ম দাবি জীবন বীমার সাবেক এমডি জহুরুল হকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা




মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অতিরিক্ত সচিব মো. আজিজুল ইসলাম বলেছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সরকারের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। এ জন্য সবাইকে মাদকের বিস্তার রোধে এগিয়ে আসতে হবে।

বুধবার (২৯ জুন) ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধ’ দিবস উপলক্ষ আলোচনা সভায় তিনি বক্তব্য দেন।

এসময় আজিজুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের ক্ষেত্রে তিনভাবে কাজ করে থাকে। হার্ম রিডাকশন, সাপ্লাই রিডাকশন ও ডিমান্ড রিডাকশন। মানুষকে মাদকের ক্ষতি সম্পর্কে জানানোর জন্য আমরা কাজ করছি। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সভা-সেমিনার করছি। আগামীতে এটি ইউনিয়ন পর্যায়েও করা হবে।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের এইডসবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইডসের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. সায়মা খান। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার এবং ওয়েসিস মাদকাসক্তি নিরাময় ও মানসিক স্বাস্থ্য পরামর্শ কেন্দ্রের পরিচালক ডা. এস.এম শহীদুল ইসলাম এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ।

সভায় আরও বক্তব্য দেন, ঢাকা মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ফারজানা রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

ইকবাল মাসুদ বলেন, মাদকের প্রভাব কমাতে পরিবারের গুরুত্ব অনেক। মাদক যেহেতু একটি রোগ তাই এই রোগের চিকিৎসা রয়েছে। তবে আমাদের আগে ভাবতে হবে এ রোগের বিস্তার কীভাবে রোধ করা যায়। অভিভাবকরা যদি সচেতন হয় তবে একটি সন্তান সহজে মাদকাসক্ত হবে না। এজন্য পারিবারিক বন্ধনের প্রতি জোর দিতে হবে।

এস.এম শহীদুল ইসলাম বলেন, মাদক এক ধরনের ব্রেইন ডিজিজ। অন্যান্য রোগের মতো এ রোগ ভালো হওয়ার জন্য চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি। সাধারণত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মাদকে আসক্ত অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়। তবে পুলিশ এবার উদ্যোগ নিয়েছে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করার।




আরো পড়ুন