1. admin@starmail24.com : admin :
  2. editor@starmail24.com : editor@starmail24.com :
শিরোনাম :
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ইমরান খানের দল পিটিআই মিয়ানমার থেকে সশস্ত্র অবস্থায় কারও বাংলাদেশে ঢোকার সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ১৩ তলা ভবন থেকে পড়ে এক বাংলাদেশির মৃত্যু বিপিএলে উড়ছে রংপুর রাইডার্স জোট গঠন করে সরকারে আসবে ইমরানের পিটিআই অবৈধ মোবাইল ফোন আগামী জুলাই মাসে বন্ধ হতে পারে জানালেন প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পার্টি থেকে জিএম কাদের-চুন্নুকে বহিষ্কার করলেন রওশন এরশাদ সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১৫ হাজারের বেশি অভিবাসী গ্রেপ্তার ৩০ জানুয়ারি সারা দেশে কালো পতাকা মিছিল কর্মসূচি বিএনপির




গণপদত্যাগ জাতীয় পার্টির নেতাদের

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪

জাতীয় পার্টির (জাপা) বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদে গণপদত্যাগ কর্মসূচি পালন করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে গণপদত্যাগ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করে জাপার নেতারা। দলটির বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম সেন্টু, সুনীল শুভ রায়সহ ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

নেতৃবৃন্দের দাবি, প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী গণপদত্যাগ করবেন। সরেজমিন দেখা যায়, দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে জাতীয় পার্টি থেকে ঢাকা মহানগর ও বিভিন্ন থানার নেতারা গণপদত্যাগ করছেন।

আগত নেতাকর্মীরা বলেন, তিলে তিলে জাতীয় পার্টি গড়েছি আমরা। কিন্তু মুজিবুল হক চুন্নু দলকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা বর্তমান চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতার নাম মুছে দিতে চান। তিনি প্রতিষ্ঠাতার সহধর্মিণীর নাম মুছে দিতে চান। আমরা আবারও জাতীয় পার্টির দুর্গ গড়ে তুলব।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অনুষ্ঠানের সভাপতি ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম পাঠান বলেন, জাতীয় পার্টিতে বর্তমানে যিনি চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত আছেন সেই জিএম কাদের এক বছর আগে থেকেই বলে আসছেন, জাতীয় পার্টি একক ভাবে নির্বাচন করবে। সেই ভাবে তিনি বক্তৃতা, বিবৃতি এবং মিডিয়ায় কথা বলে এসেছেন। শেষ পর্যন্ত পার্টির চেয়ারম্যান এবং মহাসচিব ৩০০ আসন থেকে প্রার্থী মনোনীত করার পর মাত্র ২৬টি আসনে আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ছাড় পাওয়ার বিনিময়ে গোটা পার্টিকেই বিক্রি করে দিয়েছেন। ফলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির চরম ভরাডুবি হয়েছে। আর সমঝোতা করে চেয়ারম্যান ও মহাসচিবসহ মাত্র ১১ জন প্রার্থী নির্বাচনে এমপি হয়ে এসেছেন।

বলা হয়, চেয়ারম্যান জি এম কাদের পার্টির নেতা কর্মীদের প্রতিবাদের ভাষা বুঝতে না পেরে প্রতিহিংসাবশত পার্টির কো চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সংগ্রামী আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সেন্টু এবং ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াহিয়া চৌধুরীকে পার্টি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এছাড়াও কয়েকজন নেতাকে মৌখিক ভাবে অব্যাহতির কথা জানিয়ে দিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আমরা এরশাদ প্রেমিক নেতা কর্মীরা জিএম কাদেরের নেতৃত্বাধীন তার বিপর্যস্ত সংগঠনে অবস্থান করে প্রাণপ্রিয় নেতা পল্লীবন্ধু এরশাদের প্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ধ্বংস দেখতে চাই না। তাই আমরা জি এম কাদেরের সংগঠন থেকে আজ গণপদত্যাগের ঘোষণা করছি। একই সাথে আপনাদের কাছে এই অঙ্গীকারও করে রাখছি, অল্প সময়ের ব্যবধানে আমরা পল্লীবন্ধু এরশাদের চেতনা, প্রেরণা, নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

যারা পদত্যাগ করছেন তারা প্রত্যেকেই জাপা নেতা শফিকুল ইসলাম সেন্টুর সমর্থক।




আরো পড়ুন