1. mahir1309@gmail.com : admin :
  2. subeditor@starmail24.com : subeditor@starmail24.com :
আইনজীবীদের আন্দোলনের মুখে বিচারক আসাদুজ্জামান নূরকে বিচারকাজ থেকে অব্যাহতি - starmail24
শিরোনাম :
সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে আসিফ নজরুলের শত কোটি টাকার দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র সিন্ডিকেট ভেঙে ৫০ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করেও সমালোচনায় সাভার সাব রেজিস্ট্রার পরিশ্রম ও সততা মানুষকে স্বপ্নের সমান উচ্চতায় নিয়ে যায়: বাসস চেয়ারম্যান ঢাবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট মালয়েশিয়ায় কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে ও দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহারের দাবি স্মারকলিপি প্রদান গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না মালয়েশিয়ায় কালিয়াচাপড়া প্রবাসীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নির্যাতিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেত্রী শাহীনুর বেগম তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা তারিকের আবেগঘন পোস্ট




আইনজীবীদের আন্দোলনের মুখে বিচারক আসাদুজ্জামান নূরকে বিচারকাজ থেকে অব্যাহতি

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০

আইনজীবীদের আন্দোলনের মুখে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিচারক আসাদুজ্জামান নূরকে বিচারকাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এর আগে এক আইনজীবীকে আসামির লক আপে দুই ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগে ওঠে আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একদল বিক্ষুব্ধ আইনজীবী ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নূরের এজলাস কক্ষ থেকে সবাইকে বের করে তালা দিয়ে দেন। পরে আইনজীবীরা বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ সিএমএম আদালতের মূল গেটে তালা লাগিয়ে দেন। সকাল পৌনে ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছিল। ওই বিচারকের অপসারণ চেয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিলেন। সিএমএম আদালতের বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। আদালতের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার লক আপে আটকে রাখার অভিযোগে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন দিয়েছেন ভুক্তভোগী আইনজীবী। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান তিনি।

ওই আইনজীবীর নাম রুবেল আহমেদ ভুঞা। আবেদনে তিনি বলেন, মঙ্গলবার আমি ওই আদালতে মামলা পরিচালনা করতে যাই। এ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় বিচারক এজলাসে উঠবেন বলে জানান। কিন্তু ১১টার দিকেও বিচারক না ওঠায় বিষয়টি পেশকারের কাছে জানতে চাই। পরে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে বিচারক আমার মামলা না শুনে পরে আসতে বলেন। পরে গেলে আমাকে দুই ঘণ্টা লক আপে আটকে রাখেন এবং বলেন, আমার সনদ বাতিল করে দেবেন এবং সব ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে দেবেন, আমার মামলা না শোনার জন্য। আমি বিষয়টিতে চরম অপমান বোধ করছি এবং উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

তবে মঙ্গলবার রাতে অবশ্য ওই আইনজীবী বাংলানিউজকে জানিয়েছিলেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতারা ও সিনিয়র আইনজীবীরা মিলে বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছেন। ওই বিচারক তার কাজের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন৷




আরো পড়ুন