1. mahir1309@gmail.com : admin :
  2. subeditor@starmail24.com : subeditor@starmail24.com :
দোকানের বৈধতা দেওয়ার নামে টাকা নেয়ার অভিযোগে সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে মামলা - starmail24
শিরোনাম :
সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে আসিফ নজরুলের শত কোটি টাকার দুর্নীতির নেপথ্যে রমজান-মাইকেল চক্র সিন্ডিকেট ভেঙে ৫০ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় করেও সমালোচনায় সাভার সাব রেজিস্ট্রার পরিশ্রম ও সততা মানুষকে স্বপ্নের সমান উচ্চতায় নিয়ে যায়: বাসস চেয়ারম্যান ঢাবির আন্তঃবিভাগ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট মালয়েশিয়ায় কোকোর মৃত্যু রহস্য উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তে ও দূতালয় প্রধান প্রণব কুমার ভট্টাচার্জকে প্রত্যাহারের দাবি স্মারকলিপি প্রদান গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বৈধতা থাকবে না মালয়েশিয়ায় কালিয়াচাপড়া প্রবাসীদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে পার্বত্যাঞ্চল থেকে আলোচনায় শিরিনা আক্তার সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নির্যাতিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেত্রী শাহীনুর বেগম তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা তারিকের আবেগঘন পোস্ট




দোকানের বৈধতা দেওয়ার নামে টাকা নেয়ার অভিযোগে সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে মামলা

স্টার মেইল ডেস্ক:
  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০

রাজধানীর গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটে-২ দোকানের বৈধতা দেওয়ার কথা বলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার আবেদন করেন মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দুলু।

অভিযোগটি নেয়ার পর প্রাথমিক শুনানিতে আদালত জানায়, বাদীর জবানবন্দি এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। এ বিষয়ে বাদী দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পক্ষে অভিযোগ করেছি। তবে জবানবন্দি না নেয়া পর্যন্ত কিছুই বলব না।’

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনের মালিকানাধীন ওই মার্কেটটির তিনটি ব্লকে নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকান ছিল। এসব দোকান উচ্ছেদে ৮ ডিসেম্বর অভিযান শুরু করেন ডিএসসিসির কর্মকর্তারা। ওই দিন কয়েক দফায় দোকান মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ দোকান উচ্ছেদ করা হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিরা সেদিন অভিযোগ করেন, সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের সময় (এক বছর আগে) নকশাবহির্ভূত এসব দোকান বৈধ করতে কয়েক কোটি টাকা দিয়েছেন তারা। সাঈদ খোকনকে টাকা দেওয়ার রশিদ বর্তমান মেয়র তাপসকে দেখান ব্যবসায়ীরা। সেগুলো ভুয়া বলে উচ্ছেদ অব্যাহত রাখেন। বৈধতার নামে টাকা নেওয়ার পরেও দোকানগুলো থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করতো ডিএসসিসি। তাদের হিসাবে তাদের মালিকানা বৈধ। হঠাৎ কীভাবে অবৈধ হয়ে গেল, সেটা বুঝতে পারছেন না তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু প্রায় দুই যুগ ধরে ওই তিনটি প্লাজা বা মার্কেট এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তার নেতৃত্বেই অবৈধ এসব দোকান তৈরি করা হয়েছিল। সেই দোকান মালিক সভাপতিই দেলোয়ারই দোকান বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সাবেক মেয়রেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন।




আরো পড়ুন