1. mahir1309@gmail.com : admin :
পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে পদ পেতে এমডির ওপর চড়াও হলেন ডিজিএম ফারুক - starmail24
শিরোনাম :
বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে আসতে পারেন মাশরাফি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ রোজায় টানা ৩৫ দিনের ছুটিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে পদ পেতে এমডির ওপর চড়াও হলেন ডিজিএম ফারুক আগামী নির্বাচনে বাদ পড়লেন বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতারা হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান তারেক রহমান ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এনআইডি পাবেন : ডিজি গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিলেন রাশেদ মালয়েশিয়ায় প্রীতি ফুটসাল ম্যাচে জামাল ভূঁইয়ার গোলে সবুজ দলের জয় ‘সেভেন সিস্টার্স’ ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার হুমকি এনসিপি নেতার, বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করল ভারত




পদ্মা অয়েল কোম্পানীতে পদ পেতে এমডির ওপর চড়াও হলেন ডিজিএম ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

পদ্মা অয়েল কোম্পানীর ডিজিএম অপারেশন পদ পেতে এমডিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের ওপর চড়াও হয়েছেন ডিজিএম ইঞ্জিনিয়ারিং ফারুক হোসেন মাহমুদ। যা নিয়ে পুরো জ্বালানী সেক্টরে শুরু হয়েছে তোলপাড়। অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগ আমলে পতিত শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিমের আশির্বাদপুষ্ট এই কর্মকর্তা এখন রাতারাতি ভোল পাল্টে বিএনপি পন্থী কর্মকর্তা সাজার চেষ্টা করছেন। তবে বিএনপির কোন নেতার নাগাল এখনো তিনি পাননি। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

পদ্মা অয়েল সূত্র জানায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ডিজিএম অপারেশন আসিফ মালিক অবসরে যাওয়ায় পদটি শুন্য হয়। এর পর থেকেই ওই পদে নিয়োগ পেতে একাধিক কর্মকর্তা তদবির শুরু করেন। কারন তেল বিপনন প্রতিষ্ঠানে এই পোস্ট লোভনীয়। এই পদে নিয়োগ পেতে অনেকের মতো লবিং শুরু করেন ডিজিএম (ইঞ্জিনিয়ার এন্ড প্লানিং) ফারুক হোসেন মাহমুদ। কিন্তু অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় তাকে এই পদে দিতে অস্বীকৃতি জানায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। এতে ক্ষুব্ধ হন ফারুক। বোর্ড সভার মধ্যেই চড়াও হন এমডি মফিজুর রহমানের ওপর।

তাকে অপারেশনের দায়িত্ব না দিলে তার পক্ষে থাকা কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে বিদ্রোহ করার হুমকি দেন তিনি। একই সাথে বিপিসি চেয়ারম্যান ও বিপিসি’র পরিচালক অপারেশনকে তিনি ম্যানেজ করেছেন। তাকে ওই পদে না দিলে এমডিসহ সিনিয়র কর্মকর্তাদের চাকরি থাকবে না বলেও হুশিয়ারি দেন। তার এই বেপোরোয়া আচরণে হতভম্ব হয়ে যান সেখানে থাকা সিনিয়র কর্মকর্তারা। খবরটি সাধারণ স্টাফদের ভেতরে জানাজানি হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। অফিসিয়াল শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করায় তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান পদ্মা অয়েলের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

সূত্র জানায়, ফারুক হোসেন মাহমুদ এজিএম পদে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে সাবেক শিক্ষান্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিমের সুপারিশে অন্তত এক ডজন কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে (ডিজিএম ইঞ্জিনিয়ার এন্ড প্লানিং) পদ বাগিয়ে নেন তিনি। আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম পাইপলাইনসহ একাধিক প্রজেক্ট সংযুক্ত হয়ে কয়েক শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন ফারুক। প্রজেক্ট শেষ হওয়ায় এখন তার নজর পড়েছে ডিজিএম অপারেশন পদের প্রতি। কোন রকমের অভিজ্ঞতা না থাকলেও এই পোস্টটি বাগিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা।

তার বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। পদ্মা অয়েলের দুর্নীতির টাকায় ঢাকার বসুন্ধরা জি ব্লকে মসজিদের পাশে ৫ কাঠার ১ টি প্লট, ঢাকার উত্তরা দিয়াবাড়ি ১৭ নম্বর সেক্টরে ৫ কাঠার একটি প্লাট, ঢাকার উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে ২ টি বিলাসবহুল ফ্লাট, চট্টগ্রামের হালিশহর হাউজিং সোসাইটির ২ নং সড়কে ৪ টি বিলাসবহুল ফ্লাট, আগ্রাবাদ সোনালী আবাসিক এলাকায় একটি ছয়তলা বাড়ি, নোয়াখালীতে বাগানবাড়িসহ তার ও তার স্ত্রীর নামে বেনামে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। জ্বলানী মন্ত্রণালয় থেকে এসব অভিযোগের তদন্তও চলমান রয়েছে। এমন একজন বিতর্কিত কর্মকর্তা ডিজিএম অপারেশন পদে এলে তেল সেক্টরে হরিলুট আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।




আরো পড়ুন